...|...|...

খেলা

বুরকিনা ফাসোকে ‘সেভেন আপ’ দিল আর্জেন্টিনা

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ৪ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৮:২৩ | আপডেট: ৪ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৮:২৯
Shares
বুরকিনা ফাসোকে ‘সেভেন আপ’ দিল আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

বেনিনের বিপক্ষে ৬ অক্টোবর মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে লিওনেল মেসি শেষবার আর্জেন্টিনার জার্সি পরবেন। তাকে বিদায় দিতে প্রস্তুত দেশের লাখ লাখ সমর্থকরা। দিনটি স্মরণীয় করার আগে বুরকিনা ফাসোর বিপক্ষে তাণ্ডব চালাল আলবিসেলেস্তেরা। ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ের ৬২তম দলের বিপক্ষে ৭-০ গোলে ম্যাচটি জিতেছে আর্জেন্টিনা।

মেসিকে  ছাড়া এবারের আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে খেলছে আর্জেন্টিনা। বলিভিয়ার বিপক্ষে চার গোল দিয়ে শুরু হয়েছিল তাদের নতুন অধ্যায়। দ্বিতীয় ম্যাচে তারা বুরকিনা ফাসোকে নিয়ে ছেলেখেলা করল। প্রথমার্ধেই ৫ গোল দেয় তিনবারের বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নরা। শেষ অর্ধে এসেছে আরও দুটি।

পেনাল্টি বক্সের ভেতরে মুমুনি দিয়ালোর ফাউলের শিকার হন অগাস্টিন জিয়ায়। আর রেফারিও সাথে সাথে পেনাল্টির বাঁশি বাজান। পেনাল্টি শটটি নেন লাউতারো মার্তিনেজ। বুরকিনা ফাসো গোলকিপার রাজাক গুইরা তার প্রথম শটটি ঠেকিয়ে দিলেও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি। সেই সুযোগেই এল তোরো বল জালে পাঠিয়ে বুরকিনা ফাসোর বিপক্ষে ম্যাচের প্রথম গোল করে দলকে এগিয়ে নেন। 

এর আগের ম্যাচে বলিভিয়ার বিপক্ষেও প্রথম গোলটি করেছিলেন লাউতারো। এটি ছিল তার টানা দ্বিতীয় গোল। জাতীয় দলের জার্সিতে ৪২তম গোল করে সার্জিও আগুয়েরোর সাথে যৌথভাবে শীর্ষ তৃতীয় গোলদাতার আসনে বসলেন তিনি। এবার তার সামনে গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতার ৫৪ গোল ছোঁয়ার লক্ষ্য। ১২৫ গোল করে সবার ওপরে মেসি। 

এরপর মুমুনি দিয়ালো আবারও বিপদে পড়েন। বল ক্লিয়ার করার চেষ্টা করতে গিয়ে ভুলবশত নিজের জালেই ঢুকিয়ে দিয়ে আত্মঘাতী গোল করে বসেন। বুরকিনা ফাসোর ক্লাব ওয়াগাদুগুতে খেলা ২২ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডারের জন্য ম্যাচের প্রথম আট মিনিট ছিল ভুলে যাওয়ার মতো। দিয়ালোর এই আত্মঘাতী গোলেই আসে আর্জেন্টিনার দ্বিতীয় গোল।

ম্যাচের প্রথম ১৫ মিনিট পার হওয়ার আগেই জিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ানি জাতীয় দলের হয়ে তার প্রথম গোলটি করেন। প্রথম অর্ধের ১২ মিনিটে ডি-বক্সে ঢুকে প্রতিপক্ষকে কোনো সুযোগ না দিয়ে দারুণ এক জোরালো শটে বল জালে জড়ান তিনি। বুরকিনা ফাসোর বিপক্ষে এই গোলের মাধ্যমেই আর্জেন্টিনার হয়ে গোলের খাতা খুললেন প্রেস্তিয়ানি।

কয়েক দিন আগে বলিভিয়ার বিপক্ষে যেভাবে খালি জায়গা খুঁজে নিয়ে গোল করেছিলেন, ঠিক সেভাবেই রাতের চতুর্থ গোলটি করেন নিকো পাস। আর দলের পঞ্চম গোলটি করেন হুলিয়ান আলভারেজ। ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে সেই চমৎকার গোলের পর এটি ছিল জাতীয় দলে তার আরেকটি গোল।

দ্বিতীয় অর্ধে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমে ওয়ান-অন-ওয়ান সুযোগ কাজে লাগিয়ে আর্জেন্টিনার হয়ে নিজের প্রথম গোলটি পান ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুওনো। ইনজুরি টাইমের তৃতীয় মিনিটে জিউলিয়ানো সিমিওনে সপ্তম গোল যোগ করেন।