বিশ্বসেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞান গবেষকের তালিকায় পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) আটজন গবেষক স্থান পেয়েছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং নেদারল্যান্ডসভিত্তিক বিশ্বের প্রথম সারির চিকিৎসা ও বিজ্ঞানবিষয়ক নিবন্ধ প্রকাশনা সংস্থা ‘এলসেভিয়ার’-এর সমন্বিত জরিপে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
গবেষকদের প্রকাশিত গবেষণাপত্র, সাইটেশন, এইচ-ইনডেক্স, কনসিস্টেন্সি এবং সহ-লেখকদের প্রভাবের ওপর ভিত্তি করে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এ স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয়টির আন্তর্জাতিক গবেষণাক্ষেত্রে শক্তিশালী অবস্থান এবং বৈশ্বিক জ্ঞানচর্চায় ক্রমবর্ধমান প্রভাবের প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে।
তালিকায় স্থান পাওয়া পাবিপ্রবির গবেষকেরা হলেন ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রিক এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ রাসেল আল আহমেদ, সহকারী অধ্যাপক লিটন চন্দ্র পাল, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এ এইচ এম ইফতেখারুল ফেরদৌস, গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নূর আলম, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. ইকরামুল ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক এসএম রায়হানুল ইসলাম, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান এবং সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. লোকমান আলী।
এ অর্জনে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম বলেন, ‘বিশ্বসেরা ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আটজন গবেষকের স্থান পাওয়া আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্ব ও আনন্দের বিষয়। এ অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গবেষকদের নিরলস প্রচেষ্টা এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে আমাদের গবেষণার ক্রমবর্ধমান গ্রহণযোগ্যতার প্রতিফলন। এটি পাবিপ্রবির গবেষণার অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গবেষকদের আরও উচ্চমানের গবেষণায় উৎসাহিত করবে। গবেষণার সুযোগ ও পরিসর সম্প্রসারণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ইতোমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সেন্ট্রাল ল্যাব প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে , যা গবেষকদের আধুনিক গবেষণা অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমরা আশা করি, ভবিষ্যতে পাবিপ্রবির আরও বেশি শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গবেষক আন্তর্জাতিক মানের গবেষণায় অবদান রাখবেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনবেন।’


