...|...|...

আইন ও আদালত

বারিধারায় গাড়িচাপায় শ্রমিক নিহত: সেই কিশোরের জামিন

টাইমস টুুডে প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, বিকেল ৫:৫৬
Shares
বারিধারায় গাড়িচাপায় শ্রমিক নিহত: সেই কিশোরের জামিন

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোনে ফুটপাতে বিশ্রাম নেয়ার সময় গাড়িচাপায় নির্মাণশ্রমিক মেহেদী হাসান মীমের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত সেই কিশোরের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। 

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮-এর বিচারক মো. আব্দুল মোক্তাদিরের আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর একই আদালতে তার জামিন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। ওইদিন তার পক্ষে অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা খানসহ একাধিক আইনজীবী জামিন চেয়ে শুনানি করেন। পরে আদালত অধিকতর শুনানির জন্য ৪ অক্টোবর দিন পুনর্নির্ধারণ করেন। ওইদিনও তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন আদালত।

এর আগে, গত ২৪ সেপ্টেম্বর একই আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেন। জামিন আবেদনে বলা হয়, ওই কিশোর গাড়িতে চালকের পাশের আসনে বসা ছিল। নিহত মেহেদী একজন বাক ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী ছিলেন। তাকে হর্ন বাজানো সত্ত্বেও দ্রুত সরে যেতে না পারায় দুর্ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ঘটে যায়। আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, স্থানীয়ভাবে আপস-মীমাংসার মাধ্যমে কিশোরের পরিবারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে নগদ ৯ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয়েছে।

ওইদিন আইনের সংঘাতে জড়িত শিশুকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আরিফীন ইসলাম তাকে আটকে রাখার আবেদন জানান।

আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, মামলাটি তদন্তকালে ঘটনাস্থলসহ আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা যায়, ঘটনার পরপরই প্রাইভেট কারের ডান পাশের ড্রাইভিং সিটের দরজা খুলে অভিযুক্ত কিশোর বের হচ্ছে। তদন্তে ঘটনার সাথে তার জড়িত থাকার বিষয়ে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যাচ্ছে। মামলাটির সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে আটকে রাখার আবেদন করা হলে আদালত তা মঞ্জুর করেন এবং এরপর থেকেই সে আটক ছিল।

গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর গুলশান থানায় মেহেদীর মৃত্যুর ঘটনায় তার বড় ভাই মোক্তাদীর ইসলাম বাদী হয়ে সড়ক পরিবহন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলায় গাড়িটির চালক হিসেবে আকাশ মারক (৪৪) নামে এক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, আসামি আকাশ মারক বেপরোয়া গতিতে প্রাইভেট কার চালিয়ে তার ভাইকে চাপা দিয়ে গুরুতর আহত করেন এবং এর ফলেই তার মৃত্যু হয়।