বাংলাদেশের নতুন জাতীয় নগর উন্নয়ন নীতি প্রণয়নসহ বিভিন্ন কাজে সহায়তার জন্য এ সময়ে যুক্তরাজ্য ১০০ মিলিয়নেরও বেশি পাউন্ড বিনিয়োগ করেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্ব রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এবং প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সাথে সাক্ষাৎ শেষে এসব কথা বলেন সারাহ কুক।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের নগর উন্নয়ন ও স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচিতে গত ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাজ্য অংশীদার হিসেবে কাজ করছে। একইভাবে যুক্তরাজ্য ও এই মন্ত্রণালয়ের মধ্যেও দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্ব রয়েছে। গত ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে দুই পক্ষ একসাথে কাজ করছে।
তিনি বলেন, নগর উন্নয়ন কর্মসূচি এবং নতুন জাতীয় নগর উন্নয়ন নীতি প্রণয়নে মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকারের কাজকে সমর্থন করার জন্য এ সময়ের মধ্যে যুক্তরাজ্য ১০০ মিলিয়নেরও বেশি পাউন্ড বিনিয়োগ করেছে। এই দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্ব থেকে পাওয়া শিক্ষা এবং ভবিষ্যতে কীভাবে একসঙ্গে কাজ করা যায়, তা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
সারাহ কুক আরও বলেন, সাসটেইনেবিলিটির গুরুত্ব এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সহায়তার জন্য একসাথে কাজ করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের বাস্তব প্রভাব মোকাবিলা এবং গ্রামীণ উন্নয়নে যুক্তরাজ্য কাজ করছে।
তিনি বলেন, সুন্দরবন অঞ্চলকে কেন্দ্র করেও যুক্তরাজ্যের উল্লেখযোগ্য কাজ রয়েছে। বৈঠকটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে বলেও জানান ব্রিটিশ হাইকমিশনার।



