...|...|...

চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে অর্থমন্ত্রী

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে ভুল মাত্র ১.২ শতাংশ, পক্ষপাতের সুযোগ নেই

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৬, বিকেল ৫:২৯ | আপডেট: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৩:৩৪
Shares
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে ভুল মাত্র ১.২ শতাংশ, পক্ষপাতের সুযোগ নেই

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ছবি: টাইমস টুডে

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে ভুল বা ত্রুটির হার মাত্র ১ দশমিক ২ শতাংশ বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এই ত্রুটির হার বাংলাদেশের বাস্তবতায় খুবই কম এবং পরীক্ষামূলক কার্যক্রমটি সফলভাবে বাস্তবায়ন হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কোনো রাজনৈতিক বিবেচনা বা দলীয় পক্ষপাতিত্ব করা হয়নি এবং ভবিষ্যতেও হবে না।

রবিবার (৩০ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘বন্যা-পরবর্তী পুনরুদ্ধার ও পুনর্বাসন সহায়তা’ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দুর্যোগ বা সংকট মোকাবিলায় ত্রাণ ও সহায়তা সঠিকভাবে এবং দক্ষতার সাথে মানুষের কাছে পৌঁছানো জরুরি। বিতরণ ব্যবস্থায় দুর্নীতি, অপচয় ও দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণে দেশে অনেক সময় সরকারি সহায়তার সুফল কমে যায়।

তিনি বলেন, সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমে সরকারি প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে অংশীদারত্ব গড়ে তোলা হচ্ছে। বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনের পাশাপাশি নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থাতেও এই যৌথ অংশীদারিত্বকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, দুর্যোগের পর তাৎক্ষণিক সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকার প্রথম সারিতে থাকে। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা এবং দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের মতো কাজে বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোকে যুক্ত করা হচ্ছে। এতে সরকারের সম্পদের সাথে বেসরকারি ও সামাজিক উদ্যোগের সম্পদকে সমন্বয় করে পুনর্বাসন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

সরকার এককভাবে সব ধরনের সহায়তা সঠিকভাবে বিতরণ করতে গেলে দুর্নীতি ও অপচয়ের ঝুঁকি থাকে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিতরণ ব্যবস্থায় বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলো যুক্ত থাকলে কাজের দক্ষতা বাড়ে এবং অপচয় ও দুর্নীতি কমানো সম্ভব হয়। বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমে এখন পর্যন্ত কোনো দুর্নীতির অভিযোগ পাননি বলেও জানান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন ব্যবস্থার মাধ্যমে একটি কার্যকর সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার কাঠামো তৈরি হচ্ছে। এর মাধ্যমে সরকারি অর্থের অপচয় ও দুর্নীতি কমানোর পাশাপাশি প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সহায়তা পৌঁছানো সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিঞা, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আমিরুল হক চৌধুরী, সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেনসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।