...|...|...

জাতীয়

ফার্নিচারসহ ব্যয়বহুল বিদেশি পণ্য আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৮:৪৭
Shares
ফার্নিচারসহ ব্যয়বহুল বিদেশি পণ্য আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

ব্যয় সাশ্রয় ও দেশীয় পণ্যের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে ফার্নিচারসহ ব্যয়বহুল বিদেশি পণ্য আমদানিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশে সহজলভ্য পণ্য বিদেশ থেকে আমদানি না করার বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেছেন ।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বলে বৈঠকে অংশ নেওয়া এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

ওই কর্মকর্তা জানান, বিভিন্ন প্রকল্পে প্রয়োজনীয় মালামাল কেনার ক্ষেত্রে দেশীয় উৎসকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। দেশে উৎপাদিত বা সহজলভ্য পণ্য বিদেশ থেকে আমদানি করে সরকারি অর্থ ব্যয়ের বিষয়টি তিনি পছন্দ করেননি। বিশেষ করে ফার্নিচারসহ ব্যয়বহুল বিদেশি পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় কমানোর পাশাপাশি অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। যেসব পণ্য দেশে সহজলভ্য, সেগুলো অপ্রয়োজনে বিদেশ থেকে আমদানি করা যাবে না।

একনেক সভার সম্মানী নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমি দিনে কতটা মিটিং করি আপনারা জানেন? আমি কিন্তু কোনো সম্মানী নিই না। তাহলে আপনাদের কেন সম্মানী নিতে হবে?’

কাজের অংশ হিসেবেই এসব সভায় অংশ নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটা আপনাদের দায়িত্ব।’

সভায় প্রকল্পের মালামাল প্রি-শিপমেন্টের নামে কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণের বিষয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। সরকারি প্রকল্পের মালামাল কেনাকাটা ও পরিদর্শনের সাথে যুক্ত কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ।

এ ধরনের বিদেশ ভ্রমণ বন্ধ করার নির্দেশও দেন প্রধানমন্ত্রী বলে জানান বৈঠকে অংশ নেওয়া ওই কর্মকর্তা। সরকারি অর্থের অপচয় রোধে প্রকল্পের প্রতিটি ব্যয়ের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয়তা ও যৌক্তিকতা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

একনেক সভায় প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার পাশাপাশি সরকারি অর্থের সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।