...|...|...

খেলা

পর্তুগাল জার্সিতে রোনালদোর যত অর্জন

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ৫ নভেম্বর ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:১৯
Shares
পর্তুগাল জার্সিতে রোনালদোর যত অর্জন

ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে দীর্ঘ ২৩ বছরের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন পর্তুগিজ মহাতারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক আবেগঘন ভিডিও বার্তার মাধ্যমে নিজের আইকনিক ‘৭’ নম্বর জার্সিটি তুলে রাখার ঘোষণা দেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই তারকা।

চল্লিশোর্ধ্ব এই স্ট্রাইকার মাঠের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ালেও বিশ্ব ফুটবলের রেকর্ডের পাতায় তার এই রাজত্ব চিরকাল অম্লান হয়ে থাকবে। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বকালের সর্বোচ্চ ১৪৬টি গোলের পাশাপাশি দেশের জার্সিতে সর্বোচ্চ ২৩৪টি ম্যাচ খেলার অনন্য রেকর্ড গড়েছেন তিনি।

এছাড়া টানা ২৩ বছর ধরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে গোল করা এবং ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হিসেবে ১০টি হ্যাটট্রিকের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন সিআরসেভেন। বিশ্বকাপ ও ইউরো বাছাইপর্বে তার রয়েছে সর্বোচ্চ ৪১টি করে গোল।

বড় টুর্নামেন্টগুলোতেও রোনালদোর পারফরম্যান্স ছিল অবিশ্বাস্য। ২০০৬ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত টানা ৬টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার একমাত্র বিশ্বরেকর্ড তার নামের পাশে। লিওনেল মেসি ও গিয়ের্মো ওচোয়ার সাথে যৌথভাবে ৬টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার বিরল কীর্তিও গড়েছেন তিনি। বিশ্বকাপ ও ইউরোর মূল পর্ব মিলিয়ে যৌথভাবে সর্বোচ্চ ৫৭ ম্যাচ খেলে ২৫টি গোল করেছেন এই ফরোয়ার্ড।

ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের ইতিহাসেও সর্বোচ্চ ৬টি টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া, সর্বোচ্চ ৩০টি ম্যাচ খেলা এবং ১৪টি গোল করার রেকর্ড তারই দখলে। একই সাথে পাঁচটি ভিন্ন ইউরো আসরে গোল করা এবং তিনটি ভিন্ন আসরে অন্তত তিনটি করে গোল করার ইতিহাসের একমাত্র খেলোয়াড় তিনি।

২০১৬ সালে পর্তুগালকে প্রথমবারের মতো ইউরো চ্যাম্পিয়ন করার পাশাপাশি ২০১৯ ও ২০২৫ সালে দুবার উয়েফা নেশনস লিগ জেতারও মূল কারিগর ছিলেন তিনি।

ক্লাব ফুটবলেও তার অর্জন সমানভাবে উজ্জ্বল। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে ১৪০ গোল ও ১৮৩ ম্যাচ খেলে সবার শীর্ষে রয়েছেন তিনি। ২০১৩-১৪ মৌসুমে এক মৌসুমে রেকর্ড ১৭টি গোল করার পাশাপাশি নকআউট পর্বে ৬৭ গোল এবং রেকর্ড সাতবার চ্যাম্পিয়নস লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন।

ব্যক্তিগত অর্জনেও লিওনেল মেসির পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫ বার ব্যালন ডি’অর জিতেছেন রোনালদো। এছাড়া চারবার উয়েফা বর্ষসেরা খেলোয়াড় এবং উয়েফার বর্ষসেরা একাদশে সর্বোচ্চ ১৫ বার জায়গা করে নেওয়ার রেকর্ডও রয়েছে তার মুকুটে।