...|...|...

চাকরি

দ্রুতই আসছে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি

টাইমস টুুডে প্রতিবেদক
প্রকাশ: ৭ অক্টোবর ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:১১ | আপডেট: ৭ অক্টোবর ২০২৬, রাত ১০:৩৭
Shares
দ্রুতই আসছে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি

ছবি: সংগৃহীত।

‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা, ২০২৫’-এর মাধ্যমে নিয়োগের সুপারিশ পাওয়ার পরও ১ হাজার ৪৭১ জন প্রার্থী চাকরিতে যোগ দেননি। এর মধ্যে ৫৫৩ জন নিয়োগপ্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেননি। আর নিয়োগপত্র হাতে পাওয়ার পরও ৯১৮ জন নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে যোগ দেননি।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালে দুই ধাপে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে মোট ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্যপদের বিপরীতে আবেদন করেন ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০ জন। অর্থাৎ গড়ে প্রতিটি পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন প্রায় ৭৫ জন প্রার্থী।

প্রথম ধাপে রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের জন্য ১০ হাজার ২১৯টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। এসব পদের বিপরীতে আবেদন পড়ে ৭ লাখ ৪৫ হাজার ৯২৯টি।

দ্বিতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের ৪ হাজার ১৬৬টি শূন্যপদের বিপরীতে আবেদন করেন ৩ লাখ ৩৪ হাজার ১৫১ জন।

লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ৬৯ হাজার ২৬৫ জন। পরে তাদের মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়। সব ধাপ শেষে গত ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হলে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়।

এরপর গত ২৪ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর থেকে জেলাভিত্তিক নিয়োগের আদেশ জারি করা হয়। কয়েক ধাপে জারি করা এসব আদেশে নির্বাচিতদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, সুপারিশ পাওয়া প্রার্থীদের মধ্যে ১৩ হাজার ৮৩১ জন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেন। বাকি ৫৫৩ জনের মধ্যে ৫৫২ জন কোনো কাগজপত্র জমা দেননি। অন্য একজন প্রার্থী এর মধ্যে মারা যান।

কাগজপত্র জমা দেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে ১৩ হাজার ৭৪৮ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। তবে নিয়োগপত্র হাতে পাওয়ার পরও সবাই চাকরিতে যোগ দেননি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ১২ হাজার ৮৩০ জন কর্মস্থলে যোগ দিলেও ৯১৮ জন যোগদান করেননি।

অর্থাৎ কাগজপত্র জমা না দেওয়া ৫৫৩ জন এবং নিয়োগপত্র পাওয়ার পরও যোগ না দেওয়া ৯১৮ জন- সব মিলিয়ে ১ হাজার ৪৭১ জন সহকারী শিক্ষক পদে যোগ দেননি।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি) আবদুর রহিম বলেন, কিছু প্রার্থী পরবর্তী ধাপে কাগজপত্র জমা দেননি। আবার কেউ কেউ নিয়োগপত্র পাওয়ার পরও কাজে যোগ দেননি। অন্য কোথাও চাকরি হওয়ায় অনেকে নতুন পদে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকতে পারেন। সরকারি নিয়োগে এমন ঘটনা সাধারণত ঘটে বলেও জানান তিনি।

তবে এতসংখ্যক প্রার্থী যোগ না দেওয়ায় শূন্য পদ পূরণ নিয়ে নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে অধিদফতরের ওপর। কারণ একটি বড় নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষ করতে সময় ও অর্থ ব্যয় হলেও পদ খালি থেকে গেলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট থেকেই যায়।

এ কারণে দ্রুত নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অধিদফতরের এডিজি আবদুর রহিম।