...|...|...

অর্থনীতি

দক্ষিণ কোরিয়ায় রফতানিতে ৯৭ শতাংশ পণ্যে শুল্ক সুবিধা পাবে বাংলাদেশ: বাণিজ্যমন্ত্রী

টাইমস টুডে প্রতিবেদক
প্রকাশ: ৪ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ১:৫১ | আপডেট: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৭:০৭
Shares
দক্ষিণ কোরিয়ায় রফতানিতে ৯৭ শতাংশ পণ্যে শুল্ক সুবিধা পাবে বাংলাদেশ: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সই হয়েছে। এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ পণ্য ও সেবা দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে অগ্রাধিকারমূলক শুল্ক সুবিধা পাবে। একইসাথে দক্ষিণ কোরিয়ার ৮৭ শতাংশ পণ্য ও সেবাও বাংলাদেশে প্রবেশের ক্ষেত্রে শুল্ক সুবিধার আওতায় আসবে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে চুক্তি সই শেষে আয়োজিত যৌথ ঘোষণায় এ তথ্য জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এই চুক্তি বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এর মাধ্যমে রপ্তানি বাড়ার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং দক্ষিণ কোরিয়া থেকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, চুক্তির ফলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, চামড়া, পাটসহ বিভিন্ন রফতানি পণ্য দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে আরো সহজে প্রবেশ করতে পারবে। এতে দেশের রফতানি বহুমুখীকরণ, বাজার সম্প্রসারণ এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা আরও শক্তিশালী হবে।

খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো বড় অর্থনীতির বাজারে অগ্রাধিকারমূলক প্রবেশাধিকার পাওয়া বাংলাদেশের জন্য একটি বড় অর্জন। এটি শুধু বাণিজ্য সম্প্রসারণেই সহায়ক হবে না, বরং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

তিনি বলেন, নতুন এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিল্প সহযোগিতার ক্ষেত্রেও দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী হবে।

অনুষ্ঠানে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী ইয়ো হান-কু বলেন, বাংলাদেশ ও কোরিয়ার অর্থনৈতিক সম্পর্কের ইতিহাস ৫৬ বছরের। টেক্সটাইল খাতের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই সম্পর্ক এখন নতুন এক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক বাজারে পণ্যের বহুমুখীকরণের যে প্রবণতা তৈরি হয়েছে, তার সাথে তাল মিলিয়ে দুই দেশকেই রফতানি ও আমদানির পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়াতে হবে।

ইয়ো হান-কু আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশের নতুন সরকার দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ করবে। এ প্রক্রিয়ায় প্রযুক্তি, সরবরাহ ব্যবস্থা ও শিল্প সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের পাশে থাকতে আগ্রহী।

তিনি আরও বলেন, সিইপিএ কার্যকর হলে কোরিয়ান কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগে আরও উৎসাহিত হবে। এর মাধ্যমে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর ও বিস্তৃত হবে।