প্রথমবারের মতো মাঠে গড়াতে যাচ্ছে আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগ টি-টোয়েন্টি (এপিএল)। আগামী ২৭ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে এই ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টের। প্রথম আসরের জন্য এখন পর্যন্ত তিনটি দলের নাম নিশ্চিত করেছে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি)।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুবাইয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে তিন ফ্র্যাঞ্চাইজির নাম ও পরিচয় প্রকাশ করা হয়। একই অনুষ্ঠানে উন্মোচন করা হয় টুর্নামেন্টের ট্রফি ‘কোহ-ই-জাফর‘। দল তিনটি হলো অ্যাক্সেল ইউনাইটেড কাবুল, বালখ জওয়ানান ও কান্দাহার ওয়ারিয়র্স।
এপিএলের প্রথম আসরের খেলোয়াড় নিবন্ধন শুরু হবে আগামী ৩০ আগস্ট। এরপর ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে খেলোয়াড় ড্রাফট। তবে এখনো টুর্নামেন্টের পূর্ণাঙ্গ সূচি ও ভেন্যু চূড়ান্ত করে জানায়নি এসিবি।
লিগের উদ্বোধনী যাত্রাকে আফগান ক্রিকেটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন এসিবি চেয়ারম্যান মিরওয়াইস আশরাফ। তিনি বলেন, ‘আজ আফগান ক্রিকেটের জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন। আমাদের প্রথম ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো এবং কোহ-ই-জাফর ট্রফির উন্মোচন ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে এমন একটি লিগ গড়ে তোলার আমাদের অভিন্ন লক্ষ্যকে প্রতিফলিত করে।‘
ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোও স্থানীয় ক্রিকেটারদের বিকাশে গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে ।‘জওয়ানান ‘ শব্দের অর্থ যুবক। সেই ভাবনার সাথে সামঞ্জস্য রেখে বালখ জওয়ানান উত্তর আফগানিস্তানের প্রতিভাবান ক্রিকেটারদের খুঁজে বের করে পেশাদার ক্রিকেটে সুযোগ দিতে চায়।
কান্দাহার ওয়ারিয়র্সের লক্ষ্যও আক্রমণাত্মক ক্রিকেটের আলাদা পরিচয় তৈরি করা। পাশাপাশি নিজেদের অঞ্চলের ক্রিকেটপ্রেমীদের সাথে শক্তিশালী সম্পর্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
প্রথম দিকে এপিএলকে পাঁচ দলের টুর্নামেন্ট করার পরিকল্পনা জানিয়েছিল এসিবি। পাক্তিয়া ও নানগারহারকে প্রতিনিধিত্ব করা আরও দুটি ফ্র্যাঞ্চাইজির নামও তখন আলোচনায় ছিল। তবে এখন পর্যন্ত ওই দুই দলের বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি। ক্রিকইনফোর তথ্য অনুযায়ী, বাকি দুই ফ্র্যাঞ্চাইজি নিশ্চিত করতে এখনো আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে এসিবি।


