ভারতের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্কের দোহাই দিয়ে জুলাই জাদুঘর থেকে ওয়ান-ইলেভেনের রেফারেন্স, ফেলানির ভাস্কর্য, সীমান্ত হত্যাকাণ্ডের ‘বর্ডার কিলিং রুম’ এবং মোদি-বিরোধী আন্দোলনের ইতিহাস সরিয়ে ফেলার অভিযোগ তুলে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ।
রবিবার (৯ আগস্ট) এ নিয়ে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট দেন তিনি।
পোস্টে আসিফ মাহমুদ বলেন, ভারতের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখার স্বার্থে যদি জুলাই জাদুঘর থেকে এসব বিষয় সরিয়ে ফেলতে হয়, তাহলে পাকিস্তানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক রাখার জন্য মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসও সরিয়ে ফেলতে হবে কি না—এমন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে।
একইসাথে তিনি লেখেন, ‘তাহলে বাংলাদেশ বলে তো আর কিছুই থাকে না।’

তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখার পরও বাংলাদেশের সাথে ভারতের সম্পর্কের বাস্তব পরিস্থিতি কী—সেটিও দেশবাসী দেখছে।
ভারতের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে ধরে এনসিপির এই নেতা অভিযোগ করেন, ‘শত অনুরোধের পরেও’ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে দিয়েছে ভারত। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীকে একটি সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হলেও সেই আমন্ত্রণপত্রে একবারের জন্যও ‘প্রাইম মিনিস্টার’ সম্বোধন করা হয়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি।
পোস্টে আসিফ মাহমুদ আরও লেখেন, ‘কেন আমাদের আগ্রাসন বিরোধী লড়াই এবং শহীদদের ইতিহাস আড়াল করতে চান?’
এ বিষয়ে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে জবাব প্রত্যাশা করেন তিনি।

