...|...|...

লাইফস্টাইল

ডিভোর্স বাড়ছে, দায়ী কি সোশ্যাল মিডিয়া?

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৯:২৮
Shares
ডিভোর্স বাড়ছে, দায়ী কি সোশ্যাল মিডিয়া?

ছবি: সংগৃহীত

সোশ্যাল মিডিয়া এখন যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। কর্মব্যস্ত জীবনে অনেক দম্পতিকেই কাজের প্রয়োজনে থাকতে হয় আলাদা শহরে। ফলে সরাসরি কথা বলার সুযোগ কমে গেলে যোগাযোগের ভরসা হয়ে ওঠে ফেসবুক, মেসেঞ্জার কিংবা হোয়াটসঅ্যাপ। কিন্তু এই ভার্চুয়াল যোগাযোগই কখনো কখনো হয়ে উঠছে দাম্পত্য কলহের কারণ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সন্দেহ, ভুল বোঝাবুঝি, অতিরিক্ত আসক্তি কিংবা অনাকাঙ্ক্ষিত সম্পর্কের জেরে বাড়ছে দূরত্ব। প্রশ্ন উঠছে, দাম্পত্য সম্পর্ক ভাঙনের পেছনে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব কতটা?

বিশেষজ্ঞদের মতে আপনার স্মৃতিতে কোনও ক্ষত যতক্ষন  টাটকা থাকবে, ততক্ষণ আপনি চাইলেও ক্ষমা করে এগিয়ে যেতে পারবেন না। ঠিক যেমনটা হচ্ছে বর্তমান প্রজন্মের সাথে।

এক আইনজীবী বলেন, ‘আজকাল কোনও কিছুই সত্যি সত্যি হারিয়ে যায় না। রাগের মাথায় পাঠানো একটি মেসেজ বহুবছর পরও চাইলেই খুঁজে পাওয়া যায়। বহু বছর আগের একটি ছবি হঠাৎ সামনে চলে আসতে পারে। যা নিমেষে আপনাকে পৌঁছে দেয় পুরনো সময়ে। যে ক্ষত ভুলে আপনি এগিয়ে গিয়েছিলেন, তা আবার ফিরে আসে নতুন করে। কিন্তু আগে তর্কাতর্কি হলে সেই সময়ই তা মিটে যেত।’

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিভোর্সে আরও প্রভাব রয়েছে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের। সোশাল মিডিয়ায় এখন সকলেই নিজের জীবনের প্রায় প্রতিটি মুহূর্ত তুলে ধরেন। কোথায় যাচ্ছেন, কোথায় খাচ্ছেন, কী পরছেন-সবটাই এখন জেনে যায় সকলে। অন্যদের জীবনের অত্যন্ত যত্নসহকারে সাজানো বা পরিমার্জিত রূপ প্রতিনিয়ত দেখার ফলে মানুষের মনে হতাশা তৈরি হয়। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে জীবনে। 

বিশেষজ্ঞদের কথায়, ‘ছবির আড়ালে আসলে কী ঘটছে তা না জেনেই দম্পতিরা নিজেদের সম্পর্কের তুলনা করতে শুরু করেন।’

এর ফলে নিজের দাম্পত্য নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়। যা দুইজন মানুষকে ক্রমশ দূরে সরাতে থাকে। এছাড়া সোশাল মিডিয়ায় বহু মানুষের সাথে কথাবার্তার ফলে অনেকক্ষেত্রে বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়ে। যা মজবুত সম্পর্কও তাসের ঘরের মতো ভেঙে দিতে পারে নিমেষে।