...|...|...

বিশ্ব

ট্রাম্পের বিরোধিতার মধ্যেই পঞ্চমবার কংগ্রেস সদস্য হলেন ইলহান ওমর

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ৪ নভেম্বর ২০২৬, দুপুর ২:৩৫ | আপডেট: ৪ নভেম্বর ২০২৬, বিকেল ৩:১৭
Shares
ট্রাম্পের বিরোধিতার মধ্যেই পঞ্চমবার কংগ্রেস সদস্য হলেন ইলহান ওমর

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে মিনেসোটার ৫ম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট থেকে আবারও জয়ী হয়েছেন ডেমোক্র্যাটিক দলের বর্তমান প্রতিনিধি ইলহান ওমর। মঙ্গলবারের (৩ নভেম্বর) নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী জন নাগেলকে হারিয়ে টানা পঞ্চমবারের মতো কংগ্রেস সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

২০১৯ সাল থেকে এই আসনের প্রতিনিধিত্ব করছেন ইলহান ওমর। মিনিয়াপোলিস শহর ও আশপাশের এলাকা নিয়ে গঠিত এই ডিস্ট্রিক্টকে মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যসহ পুরো যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাটদের অন্যতম শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

গত আগস্টে অনুষ্ঠিত দলীয় প্রাথমিক নির্বাচনেও বড় ব্যবধানে জয় পান ওমর। ওই নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জুলি টি. লি, আবেনা ম্যাকেঞ্জি, লাটোনিয়া রিভস ও নেট শ্লুটার। এর আগে মে মাসে মিনেসোটা ডিএফএল পার্টির রাজ্য সম্মেলনে দলীয় সমর্থনও পেয়েছিলেন তিনি।

সোমালিয়া থেকে শরণার্থী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে আসা ইলহান ওমর দীর্ঘদিন ধরেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী বক্তব্যের লক্ষ্যবস্তু। প্রথমবার কংগ্রেসে নির্বাচিত হওয়ার পরই ওমরকে নিজ দেশে ‘ফিরে যাওয়া’ উচিত বলে মন্তব্য করেছিলেন ট্রাম্প। বিভিন্ন সময়ে তাকে ‘আবর্জনা’ বলেও আখ্যা দেন তিনি। এমনকি ওমরের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবিও তুলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

এরই মধ্যে গত মাসে ওয়াশিংটন ডিসিতে ওমরের বাসভবনে তল্লাশি চালান হোমল্যান্ড সিকিউরিটির তদন্তকারীরা। ধারণা করা হচ্ছে, ওমরের শৈশবে তার প্রয়াত বাবার জমা দেওয়া অভিবাসনসংক্রান্ত নথিপত্রের বিষয়ে তদন্তের অংশ হিসেবে এ অভিযান চালানো হয়।

তল্লাশি ও তদন্তের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে ওমর একে ‘ক্ষমতার চরম অপব্যবহার’ বলে অভিহিত করেন। তার অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে লক্ষ্যবস্তু করতে ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের এটি একটি নজিরবিহীন ঘটনা।

অন্যদিকে, রিপাবলিকান প্রার্থী জন নাগেল মিনেসোটা স্টেট পেট্রোলের সাবেক সদস্য। নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি বেশ কয়েকটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়েছিলেন। ডব্লিউসিসিওকে দেওয়া বক্তব্যে নাগেল জানান, তার অগ্রাধিকারগুলোর মধ্যে ছিল জালিয়াতি প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা, মেডিকেয়ার ও মেডিকেইড কর্মসূচির সুরক্ষা, সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা আইন বা অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্টে সংস্কার, সীমান্ত নিরাপত্তা ও প্রযুক্তির আধুনিকায়ন এবং দেশের শক্তিশালী জাতীয় প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করা।