...|...|...

সারাদেশ

টাইমস টুডের প্রতিবেদন দেখে হামিদার দায়িত্ব নিল বিদ্যাপীঠ কোচিং হোম

রনি সিকদার, বান্দরবান
প্রকাশ: ৪ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ২:০৬
Shares
টাইমস টুডের প্রতিবেদন দেখে হামিদার দায়িত্ব নিল বিদ্যাপীঠ কোচিং হোম

ছবি: টাইমস টুডে

মায়ের মুখ দেখার আগেই মাকে হারানো, শৈশবেই বাবাকে হারানো এবং অসুস্থ দাদির হাত ধরে জীবনসংগ্রাম করে বেড়ে ওঠা পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী হামিদা আক্তারের গল্প নিয়ে টাইমস টুডে-তে প্রতিবেদন প্রকাশের পর তার পাশে দাঁড়িয়েছে বিদ্যাপীঠ কোচিং হোম।

হামিদার জীবনসংগ্রামের প্রতিবেদনটি দেখে তার পড়ালেখার দায়িত্ব নেওয়ার উদ্যোগ নেয় প্রতিষ্ঠানটি। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার (৪ অক্টোবর) হামিদার হাতে পড়াশোনার প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা তুলে দেওয়া হয়।

শুধু এককালীন সহায়তা নয়, হামিদার পড়াশোনা যাতে কোনো কারণে বন্ধ হয়ে না যায়, সে দায়িত্বও নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিদ্যাপীঠ কোচিং হোম।

এদিকে হামিদার গল্প প্রকাশের পর অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে তার ও অসুস্থ দাদির পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন। কেউ পড়াশোনার দায়িত্ব নেওয়ার আগ্রহ জানিয়েছেন, আবার কেউ চিকিৎসা ও দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে সহযোগিতার কথা জানিয়েছেন।

বিদ্যাপীঠ শিক্ষা পরিবারের চেয়ারম্যান হারুন সালেহীন ও পার্থ সৌমেন ধর হামিদার জীবনসংগ্রামের মতো একটি মানবিক বিষয় তুলে ধরায় টাইমস টুডে-কে ধন্যবাদ জানান।

তারা বলেন, একটি সংবাদ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করে যদি অসহায় একটি শিশুর ভবিষ্যতের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে পারে, তাহলে সেটিই সাংবাদিকতার বড় সার্থকতা।

হামিদা বান্দরবান শহরের আর্মিপাড়ায় অসুস্থ দাদির সাথে বসবাস করে। জন্মের পরপরই মাকে হারায় সে। এরপর সড়ক দুর্ঘটনায় বাবাকেও হারায়। দাদির শ্রম ও মানুষের সহযোগিতায় বেড়ে ওঠা হামিদা বর্তমানে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ছে। বড় হয়ে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন তার।

তবে বয়সের ভার ও অসুস্থতার কারণে বর্তমানে হামিদার দাদি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। নাতনির পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তিনি।

টাইমস টুডে-তে হামিদার জীবনসংগ্রামের গল্প প্রকাশের পর একে একে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় নতুন আশার আলো দেখছে ছোট্ট হামিদা।