...|...|...

চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় গ্রেফতার ৪

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৭ আগস্ট ২০২৬, বিকেল ৫:৫৬ | আপডেট: ৩০ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৭:২৯
Shares
চট্টগ্রামে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় গ্রেফতার ৪

চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং করেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম। ছবি: টাইমস টুডে

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধের পর বড় সাজ্জাদ বাহিনীর সহযোগী ও ‘কালা মোবারক’ নামে পরিচিত মোবারক হোসেনসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে চারটি আগ্নেয়াস্ত্র, ২৩টি গুলি, তিনটি ম্যাগাজিন এবং বেশ কিছু গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোররাতে ফটিকছড়ি উপজেলার লেলাং ইউনিয়নের শাহনগর পল্লানপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে নগরের ২ নম্বর গেট এলাকায় চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম।

গ্রেফতার অন্যরা হলেন-মোহাম্মদ রাইহান ওরফে রায়হান (৪০), মো. ফরিদ (৫০) ও মো. নাছির (৫২)। পুলিশের দাবি, রাইহান শিবির বাবুলের ফুফাতো ভাই।

পুলিশ সুপার জানান, শাহনগর পল্লানপাড়ায় ওয়াজ পল্লানের বাড়িতে অভিযান চালানোর সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অস্ত্রধারীরা গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। পরে অভিযান চালিয়ে মোবারকসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মোবারক পাহাড়তলী এলাকায় গত ১৩ জুন মাকসুদুল হক চৌধুরী হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি এবং সিসিটিভি ফুটেজে শনাক্ত হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে ফটিকছড়ির জামাল ও সাদ্দাম হত্যা, রাউজানের মাসুদ হত্যা এবং নগরের সরোয়ার বাবলা হত্যা মামলাসহ একাধিক গুরুতর অপরাধের মামলা রয়েছে।

পুলিশ আরও জানায়, মোবারক বড় সাজ্জাদ বাহিনীর শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন ও রায়হানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং বাহিনীর প্রধান শুটার হিসেবে পরিচিত।

অভিযানে একটি ৯ এমএম বিদেশি তরাস পিস্তল, একটি ৭ দশমিক ৬৫ এমএম বিদেশি পিস্তল, একটি বিদেশি রিভলবার ও একটি দেশীয় পিস্তল উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, উদ্ধার করা ৯ এমএম পিস্তলটি চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালী থানার লুট হওয়া সরকারি অস্ত্র।

এ ছাড়া ১৮ রাউন্ড ৯ এমএম, পাঁচ রাউন্ড ৭ দশমিক ৬৫ এমএম গুলি, তিনটি ম্যাগাজিন, তিনটি পিস্তলের গুলির খোসা এবং চারটি শটগানের গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।

এসপি মাসুদ আলম বলেন, উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও গুলির উৎস এবং কীভাবে সেগুলো অপরাধীদের হাতে এসেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।