...|...|...

জাতীয়

রাড্ডায় ভাঙচুর

গ্রেফতারদের রাজনৈতিক পরিচয় আমলে নেবে না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

টাইমস টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ১:৪৭ | আপডেট: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ১১:৫৪
Shares
গ্রেফতারদের রাজনৈতিক পরিচয় আমলে নেবে না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: টাইমস টুডে

রাজধানীর মিরপুর-১-এর স্বাস্থ্য কেন্দ্র রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে নিরাপত্তাকর্মীদের বেঁধে রেখে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেফতারদের রাজনৈতিক পরিচয় সরকার আমলে নেবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাড্ডায় ভাঙচুরে শাহ আলী থানার ওসির দায়িত্বে অবহেলা রয়েছে।

শাহ আলী থানার ওসির বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

এসময় সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, গ্রেফতারদের রাজনৈতিক পরিচয় আমলে নেবে না সরকার।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে শাহ আলী থানাধীন এলাকায় অবস্থিত রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, হ্যামার, লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একদল লোক সেন্টারটিতে প্রবেশ করে। তারা প্রতিষ্ঠানের প্রাচীর টপকে ভেতরে ঢুকে দায়িত্ব পালনরত দুই নৈশপ্রহরী আন্দ্রিয় সরকার (৪৩) ও মো. আব্দুল হাইকে (৬৩) মারধর করে বেঁধে আটকে রাখে। পরে হামলাকারীরা হ্যামার দিয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রধান ফটক ভেঙে একটি ভেকু নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর প্রতিষ্ঠানের পূর্ব পাশের প্রায় ২৮ ফুট দীর্ঘ ও ১৫ ফুট প্রস্থের একটি সেমিপাকা ঘর ভেকু দিয়ে ভেঙে ফেলে। এতে প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরপর পরিবার পরিকল্পনা সেবা দেয়ার আরেকটি সেমিপাকা ঘর ও এর আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। এতে প্রায় ৪ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জনান পুলিশ। ক্লিনিক ইনচার্জ, চিকিৎসক ও ডেপুটি ক্লিনিক ইনচার্জের ব্যবহৃত প্রায় ৬০ ফুট দীর্ঘ ও ১৭ ফুট প্রস্থের সেমিপাকা ঘর এবং সেখানে থাকা আসবাবপত্র ও যন্ত্রপাতি ভাঙচুর করা হয়। এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এছাড়া প্রায় ১০০ ফুট দীর্ঘ ও ৪০ ফুট প্রস্থের রেজিস্ট্রেশন শাখায় ভাঙচুর চালিয়ে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি করা হয়। সবশেষে আল্ট্রাসনোগ্রাম, টিকাদান ও ল্যাবরেটরি কক্ষের পাকা ভবনের দরজা-জানালা ভাঙচুর করা হয়। এতে আরও প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, হামলাকারীরা প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন ওষুধ ও সামগ্রী, দুটি আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন, একটি জেনারেটর, দুটি কম্পিউটার, দুটি প্রিন্টার, তিনটি ফ্রিজ, তিনটি এসি ও তিনটি স্টিলের আলমারি নিয়ে যায়। এসব মালামালের আনুমানিক মূল্য ৬০ লাখ টাকা বলে মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে।