...|...|...

সারাদেশ

কুমিল্লা বোর্ডে ১৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেননি কেউ

কুমিল্লা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ২:৫০
Shares
কুমিল্লা বোর্ডে ১৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেননি কেউ

ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে হতাশাজনক চিত্র দেখা গেছে ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। অন্যদিকে বোর্ডের অধীনে মাত্র চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, এ বছর কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে মোট ৯২ হাজার ১৬২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪৪ হাজার ২৭২ জন। পাসের হার ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৩১৩ জন। পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছেন ৪৭ হাজার ৮৯০ জন।

বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এ বছর ৪৫৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ১৯৩টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেন। ফলাফলে ১৫টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেননি। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—

চাঁদপুর জেলার চাঁদপুর পৌর শহীদ জাবেদ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এবং মতলব দক্ষিণের ড. এম শামসুল হক মডেল কলেজ।

কুমিল্লা জেলার লালমাইয়ের সুরুজ মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, চৌদ্দগ্রামের বগৈর গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ব্রাহ্মণপাড়ার প্রফেসর সিকান্দার আলী ভূঁইয়া গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

লক্ষ্মীপুর জেলার ক্যামব্রিজ সিটি কলেজ, কমলনগরের তুরাবগঞ্জ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সদরের বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. মমতাজ উদ্দীন আলোকিত কলেজ, লক্ষ্মীপুর পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং কমলনগরের ফজু মিয়ার হাট হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগরের জিনদপুর ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও বীরগাঁও স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

ফেনী জেলার বেগম শামসুন্নাহার গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং বিকন মডেল কলেজ।

নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জের অ্যাপেক্স মডেল কলেজ।

এ বিষয়ে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, এবার ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। অন্যদিকে চারটি প্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। বিজ্ঞান বিভাগে ফলাফল তুলনামূলক ভালো হলেও ইংরেজি ও উচ্চতর গণিতে শিক্ষার্থীরা আশানুরূপ ফল করতে পারেননি।

সামগ্রিক ফলাফলে পাসের হার ৫০ শতাংশের নিচে নেমে আসার পাশাপাশি ১৫টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ না হওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান ও শিক্ষার মান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।