ইংলিশ কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য স্মরণীয় একটি দিন গেল। ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে কেন্টের হয়ে একই ম্যাচে খেলতে নেমে বল হাতে দারুণ পারফরম্যান্স করেছেন বাংলাদেশের দুই পেসার হাসান মাহমুদ ও সৈয়দ খালেদ আহমেদ। দুজন মিলে প্রথম দিনেই নিয়েছেন ৭ উইকেট। এর মধ্যে হাসান চারটি এবং কাউন্টি অভিষেকে খালেদ শিকার করেছেন তিন উইকেট।
ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে ইংলিশ কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে। প্রথম দিনেই নতুন বলে আক্রমণে এসে হাসান মাহমুদ এবং পরে প্রথম পরিবর্তন হিসেবে বোলিংয়ে নামেন অভিষিক্ত খালেদ আহমেদ। তাদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে ডার্বিশায়ার।
আগের তিন ম্যাচে ইনিংসের প্রথম ওভারে বোলিংয়ের সুযোগ পাননি হাসান। এবার অবশ্য শুরুতেই হাতে বল তুলে দেওয়া হয় তাকে। অধিনায়কের আস্থার প্রতিদানও দেন প্রথম দুই বলেই। প্রথম বলে অফ স্টাম্পের বাইরে লাফিয়ে ওঠা ডেলিভারিতে স্লিপে হ্যারি কেইমকে ক্যাচ বানান তিনি। পরের বলেই তীক্ষ্ণ ইনসুইংয়ে ম্যাথু মন্টেগোমারিকে এলবিডব্লিউ করেন।
এরপর আরও দুটি উইকেট তুলে নিয়ে নিজের চার উইকেট পূর্ণ করেন হাসান। ১৫.৫ ওভারে মাত্র ৩০ রান দিয়ে চার উইকেট নেন বাংলাদেশের এই ডানহাতি পেসার। কাউন্টিতে প্রথম চার ম্যাচ শেষে তার মোট উইকেটসংখ্যা এখন ২৩।
কাউন্টি অভিষেকটাও স্মরণীয় করে রেখেছেন খালেদ আহমেদ। প্রথম পরিবর্তন হিসেবে বোলিংয়ে এসে ডার্বিশায়ারের দুই ব্যাটার মুহাম্মেদ নাইম ও অভিজ্ঞ ওয়েন ম্যাডসেনকে সাজঘরে ফেরান তিনি। নাইম করেন ১২ রান, আর ১৭ হাজারের বেশি প্রথম শ্রেণির রানের মালিক ম্যাডসেন আউট হন ২৯ রানে। পরে জ্যাক মর্লিকে বোল্ড করে তৃতীয় উইকেট পান খালেদ। তার বোলিং ফিগার দাঁড়ায় ৩/৭৩।
বাংলাদেশি পেসারদের তোপে একসময় ১৭২ রানেই ৭ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে ডার্বিশায়ার। তবে সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন মার্টিন অ্যান্ডারসন। এক প্রান্ত আগলে রেখে ১৯০ বলে ১৫টি চারের সাহায্যে ১২৯ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। তার ব্যাটে ভর করে শেষ পর্যন্ত ৩০০ রানে পৌঁছে ডার্বিশায়ার।
জবাবে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে দিনের খেলা শেষ হওয়ার সময় কেন্টের সংগ্রহ ১ উইকেটে ১১ রান।


