২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে কলেজ ও মাদ্রাসায় একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপে নির্বাচিত হয়েছেন ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ জন শিক্ষার্থী। আবেদন করেও কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসন পাননি ১৪ হাজার ৪১৫ জন। তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পাওয়া ২ হাজার ২০৫ জন শিক্ষার্থীও রয়েছেন।
বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রথম ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হয়। দেশে কলেজ ও মাদ্রাসা মিলিয়ে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে প্রায় ২৫ লাখ। ফলে এবারও বিপুলসংখ্যক আসন খালি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
যেসব কাগজ বাধ্যতামূলক
নিশ্চায়ন সম্পন্ন করার পর নির্ধারিত সময়ে কলেজে গিয়ে ভর্তি কার্যক্রম শেষ করতে হবে। এ সময় শিক্ষার্থীদের সাথে প্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র রাখতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে এসএসসি পরীক্ষার নম্বরপত্র ও সার্টিফিকেটের কপি। অনলাইন কপি গ্রহণযোগ্য হলে সেটিও রাখা যাবে। পাশাপাশি এসএসসি প্রবেশপত্র, দুই থেকে চার কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, অনলাইন আবেদন কনফারমেশন পত্র এবং শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের মুঠোফোন নম্বর সাথে রাখতে হবে।
নির্ধারিত কাগজপত্র নিয়ে শিক্ষার্থীদের ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কলেজে গিয়ে ভর্তি হতে হবে। সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সরাসরি ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
ভর্তি কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে। ক্লাস শুরুর তারিখ এক দিন পিছিয়ে ২৪ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে ২৩ সেপ্টেম্বর দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এক দিনের ছুটি থাকায় ক্লাস শুরুর তারিখ পিছিয়েছে।
প্রথম ধাপের ফল অনুযায়ী, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদনকারীদের প্রায় ৯৮ শতাংশ কোনো না কোনো কলেজে আসন বরাদ্দ পেয়েছেন। এখন নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন ও পরবর্তী সময়ে কলেজে গিয়ে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।


