বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সাথে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করতে যাচ্ছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে চুক্তি সই হবে। এর মধ্য দিয়ে বোয়িংয়ের কাছ থেকে বিমানের উড়োজাহাজ কেনার সংখ্যা দাঁড়াবে ২৫টিতে।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, দেশের চাহিদা অনুযায়ী কেনা হচ্ছে। আমরা যে বোয়িং কেনার কথা বলছি, এ বোয়িংগুলোর পেমেন্ট এখন থেকে ধাপে ধাপে অনেকদিন পর্যন্ত হতে থাকবে। বোয়িংগুলো হাতে পাওয়া আমাদের জন্য লম্বা সময়ের ব্যাপার। সুতরাং এক্ষুনি অল্প সময়ের মধ্যে অনেক টাকা দিয়ে দিতে হবে, বিষয়টি মোটেও তা নয়।
নিউইয়র্ক সময় বুধবার বিকাল ৪টা ১৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ২টা ১৫ মিনিট) চুক্তি সই হবে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমী এ হোসাইন চুক্তিতে সই করবেন। উপস্থিত থাকবেন বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান প্রত্যক্ষ করতে পারেন বলে জানা গেছে। পরে বোয়িংয়ের গ্লোবাল প্রেসিডেন্ট ড. ব্রেন্ডন নেলসন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করবেন।
তবে নতুন ১১টি উড়োজাহাজের মডেল, দাম, অর্থায়ন পদ্ধতি এবং সরবরাহের সময়সূচি এখনও জানা যায়নি। আগামী মাসে এয়ারবাসের সাথেও একটি চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে। যেখানে এয়ারবাস থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কিনতে পারে বাংলাদেশ।
এর আগে ৩০ এপ্রিল বোয়িংয়ের সাথে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করে বিমান। প্রায় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের ওই প্যাকেজে রয়েছে আটটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি ৭৩৭-৮ ম্যাক্স। এটিই বিমানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় উড়োজাহাজ ক্রয়চুক্তি। আগের চুক্তির উড়োজাহাজগুলোর সরবরাহ ২০৩১ সাল থেকে শুরু হওয়ার কথা।
বর্তমানে ১৯টি উড়োজাহাজ নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। এরমধ্যে ১৪টি বোয়িং ও বাকি ৫টি কানাডার কোম্পানির উৎপাদিত উড়োজাহাজ ড্যাশ-এইট।



