বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরগুলোর তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুর। দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার মেডান ও জাকার্তা। অন্যদিকে, ১৪৭ স্কোর নিয়ে বিশ্বের ১১৯টি শহরের মধ্যে ১৩তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের প্রকাশিত ‘লাইভ মোস্ট পলিউটেড গ্লোবাল মেজর সিটি র্যাঙ্কিং’ অনুযায়ী এ তথ্য জানা গেছে।
আইকিউএয়ারের তালিকায় সিঙ্গাপুরের একিউআই স্কোর ২১১। ১৯২ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার মেডান এবং ১৭৬ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে একই দেশের জাকার্তা।
তালিকার চতুর্থ স্থানে রয়েছে ভারতের রাজধানী দিল্লি, শহরটির একিউআই স্কোর ১৭১। পঞ্চম স্থানে থাকা মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের স্কোরও ১৭০। একই স্কোর নিয়ে ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে ভিয়েতনামের হ্যানয়। এ ছাড়া ১৫৮ স্কোর নিয়ে ভারতের কলকাতা সপ্তম, ১৫৪ স্কোর নিয়ে চীনের উহান অষ্টম এবং ১৫৩ স্কোর নিয়ে পাকিস্তানের লাহোর নবম অবস্থানে রয়েছে। ১৪৯ স্কোর নিয়ে ভারতের মুম্বাই রয়েছে দশম স্থানে।
অন্যদিকে, ঢাকার একিউআই স্কোর ১৪৭, যা বায়ুর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায় নির্দেশ করে। শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য এ ধরনের বায়ু বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ হলে বায়ুর মান ভালো, ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি, ১০১ থেকে ১৫০ হলে সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর, ১৫১ থেকে ২০০ হলে অস্বাস্থ্যকর এবং ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ৩০১ বা তার বেশি হলে বায়ুর মানকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ধরা হয়।
বায়ুদূষণ থেকে সুরক্ষিত থাকতে আইকিউএয়ার সংবেদনশীল ব্যক্তিদের বাইরে চলাচলের সময় মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে। পাশাপাশি বায়ুদূষণ বেশি থাকলে খোলা জায়গায় ব্যায়াম না করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।


