...|...|...

জাতীয়

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও নিরাপত্তায় আধুনিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা জরুরি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

টাইমস টুুডে প্রতিবেদক
প্রকাশ: ৪ নভেম্বর ২০২৬, দুপুর ২:৩২ | আপডেট: ৪ নভেম্বর ২০২৬, দুপুর ২:৫৪
Shares
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও নিরাপত্তায় আধুনিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা জরুরি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন ও জাতীয় নিরাপত্তা সুসংহত করতে আধুনিক, সমন্বিত ও প্রযুক্তিনির্ভর সীমান্ত ব্যবস্থাপনা অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বুধবার (৪ নভেম্বর) ঢাকায় অভিবাসন ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করার লক্ষ্যে জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা আইওএম আয়োজিত এক কৌশলগত আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এতে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

আলোচনায় প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে আইওএম বাংলাদেশের ‘অভিবাসন ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কৌশলগত কাঠামো ২০২৭-২০৩১’ সরকারের প্রতিনিধি ও অংশীদারদের সামনে তুলে ধরে। এতে জাতীয় অগ্রাধিকারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সম্ভাব্য কারিগরি সহযোগিতা ও ভবিষ্যৎ অংশীদারত্বের ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বৈধ যাতায়াত ও চলাচল সহজ করতে কার্যকর অভিবাসন ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন। উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, সমন্বয় জোরদার এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, অভিবাসন ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন বিষয়ে আইওএম দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ সরকারের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।

বাংলাদেশে আইওএমের চিফ অব মিশন ড. লরা টম বনদ বলেন, অভিবাসন ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। তবে ভ্রমণের ধরন ও কার্যক্রমের প্রয়োজনীয়তা পরিবর্তিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর ব্যবস্থা, দক্ষ জনবল এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে আরও ভালো সমন্বয়ের প্রয়োজন বাড়বে।

তিনি বলেন, কারিগরি দক্ষতা ও অংশীদারত্বের মাধ্যমে সরকারের অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে সহযোগিতা করতে আগ্রহী আইওএম।

কৌশলগত কাঠামোতে সম্ভাব্য সহযোগিতার চারটি ক্ষেত্র চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো হলো সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল ব্যবস্থা ও তথ্য আদান-প্রদান, প্রাতিষ্ঠানিক ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নির্বাচিত সীমান্ত পয়েন্টে অবকাঠামো ও সেবার উন্নয়ন।

এ কাঠামো প্রণয়নে সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত সংস্কার ও উন্নয়ন কাঠামো (জুলাই ২০২৬–জুন ২০৩১) বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

আইওএম জানিয়েছে, এ বিষয়ে যেকোনো সহযোগিতা সরকারের অগ্রাধিকার, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে পরামর্শ এবং বিদ্যমান সম্পদের প্রাপ্যতার ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে।