...|...|...

সারাদেশ

অবৈধ সার-কীটনাশক ও পশুখাদ্য উৎপাদন, তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

গাজীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ১২:৫১
Shares
অবৈধ সার-কীটনাশক ও পশুখাদ্য উৎপাদন, তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

গাজীপুরে অনুমোদনহীনভাবে সার, কীটনাশক, মাছের ওষুধ ও মুরগির খাদ্য উৎপাদন ও বোতলজাত করার অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে প্রতিষ্ঠান তিনটিকে মোট ৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) গাজীপুর জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. সালেহুর রহমানের নেতৃত্বে এসব অভিযান পরিচালিত হয়।
জেলা এনএসআই, গাজীপুর কার্যালয়ের তথ্যের ভিত্তিতে অভিযানগুলো পরিচালনা করা হয়।

অভিযান সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে কোনাবাড়ী থানাধীন আমবাগ এলাকার নছের মার্কেটের পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের পেছনে ‘মাসকো’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। সেখানে অনুমোদনহীনভাবে সার উৎপাদন ও কীটনাশক বোতলজাত করার অভিযোগ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮ অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা এবং সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় আরও ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। প্রতিষ্ঠানটিকে মোট ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এদিকে বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত কালিয়াকৈর উপজেলার সাকাশ্বর বরাব এলাকায় ‘বিনিময় ফিডস লিমিটেড’ কারখানায় অভিযান চালানো হয়। সেখানে প্রাণিসম্পদ লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হওয়া এবং বিএসটিআইয়ের লাইসেন্স ছাড়া প্যাকেজিং ও মানহীনভাবে মুরগির খাদ্য উৎপাদন ও বিপণনের অভিযোগ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮ অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা, মৎস্য ও পশুখাদ্য আইন, ২০১০ অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা এবং বিএসটিআই-সংক্রান্ত আইনে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। প্রতিষ্ঠানটিকে মোট ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

অন্যদিকে, কোনাবাড়ী থানাধীন ১০ নম্বর ওয়ার্ডের আমবাগ এলাকায় নছের মার্কেটের পল্লী বিদ্যুৎ অফিসসংলগ্ন ‘মেসার্স দেশ ট্রেডিং’-এ অভিযান চালানো হয়। সেখানে অনুমোদনহীনভাবে চক মাটি দিয়ে মাছের ওষুধ ও গুটি সার তৈরির অভিযোগ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮-এর ২৪(২) ধারায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তিনটি প্রতিষ্ঠানে পরিচালিত পৃথক অভিযানে মোট ৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

অভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সালেহুর রহমান বলেন, অনুমোদনহীন ও মানহীনভাবে পণ্য উৎপাদন এবং বাজারজাতের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।