দেশের বহুল আলোচিত সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের প্রাথমিক সম্পৃক্তা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই তার নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না বলেও জানান তিনি।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ট্রাইব্যুনালের একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে এই ক্লু পাওয়া যায়। আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আজ রোববার সকালে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য দেন তিনি।
এ সময় চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সাগর-রুনি মামলার বিচার বিচারিক আদালতেই হবে। তবে তথ্য-উপাত্ত দিয়ে সহযোগিতা করবে প্রসিকিউশন।
এর আগে বৃহস্পতিবার সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে অন্য একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে ক্লু পাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন এক প্রসিকিউটর।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি নৃশংসভাবে খুন হন।
এদিকে গুমের বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, যেসব গুমের ঘটনা মানবতাবিরোধী অপরাধের আইনের আওতায় পড়বে সেগুলোর বিচার হবে ট্রাইব্যুনালে। এছাড়া স্বতন্ত্র গুমের ঘটনার বিচার সংশ্লিষ্ট আদালতেই হবে।

