...|...|...

খেলা

সাকিবকে বিসিবির মেন্টর করা উচিত: ইয়ান বিশপ

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ১০:১৮ | আপডেট: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ১০:২০
Shares
সাকিবকে বিসিবির মেন্টর করা উচিত: ইয়ান বিশপ

সাকিব আল হাসান। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ক্রিকেটে সাকিব আল হাসানের অভিজ্ঞতা ও মেধা কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার ইয়ান বিশপ। সাবেক তারকা ক্রিকেটারদের অভিজ্ঞতা পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেছেন, এতে দেশের ক্রিকেট আরও সমৃদ্ধ হতে পারে। তবে সাকিবের দেশে না থাকার পেছনে রাজনৈতিক ও অন্যান্য জটিলতা সম্পর্কে বিস্তারিত না জানায় এ বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য করতে চাননি তিনি।

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ধারাভাষ্য দিতে এসেছেন ইয়ান বিশপ। সেখানে সাকিবের অনুপস্থিতি এবং বাংলাদেশের ক্রিকেটে তার অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বিশপ বলেন, “সাকিব কেন এখানে নেই, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানার মতো অবস্থানে আমি নেই। সংবাদমাধ্যমে যা পড়েছি, তার বাইরে বিষয়টির জটিলতা সম্পর্কে আমার জানা নেই। তাই এ নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না।”

বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে অন্যতম সফল ও আলোচিত অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর ব্যাটে-বলে অসংখ্য কীর্তি গড়ে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন তিনি। ক্যারিয়ারের শেষদিকে রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে মাগুরা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্যও নির্বাচিত হন। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে তার ক্রিকেট ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিগত জীবনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে।

সাকিবের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে দেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে কাজে লাগানো যায় কি না, তা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা করেছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা। বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের পর হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দলের মেন্টর হিসেবে কাজ করছেন। অন্যদিকে তামিম ইকবাল দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি হিসেবে। এমন পরিস্থিতিতে সাকিবের অভিজ্ঞতাও কোনো দায়িত্ব বা পরামর্শক হিসেবে কাজে লাগানোর সুযোগ আছে কি না, সে বিষয়ে বিশপের মতামত জানতে চাওয়া হয়।

জবাবে ক্যারিবীয় ক্রিকেটের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন বিশপ। তিনি বলেন, “ক্যারিবীয় অঞ্চলে ব্রায়ান লারা, কার্টলি অ্যামব্রোস, মাইকেল হোল্ডিং, জোয়েল গার্নার ও গর্ডন গ্রিনিজের মতো কিংবদন্তি ক্রিকেটার রয়েছেন। ক্যারিবীয় ক্রিকেট যদি কাইরন পোলার্ড, ডোয়াইন ব্রাভো কিংবা ড্যারেন স্যামির মতো ক্রিকেটারদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারে, তাহলে আমাদের ক্রিকেট আরও সমৃদ্ধ হবে। তারা জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের সাথে কথা বলতে পারেন, আবার স্কুলপর্যায়ের শিশুদেরও শেখাতে পারেন। এর মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ের ক্রিকেটব্যবস্থাও শক্তিশালী হবে।”

বিশপের মতে, সাবেক ক্রিকেটারদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও অর্জিত জ্ঞান পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া জরুরি। এতে শুধু জাতীয় দল নয়, দেশের ক্রিকেটের ভিত্তিও শক্তিশালী হবে। এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “বছরের পর বছর ধরে যারা অভিজ্ঞতা ও সাফল্য অর্জন করেছেন, তাদের জ্ঞান যেন হারিয়ে না যায়। বাংলাদেশেও এই ধারাটা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি। ক্যারিবীয় অঞ্চলেও আমরা সেটাই করার চেষ্টা করছি।”