...|...|...

চট্টগ্রাম

লক্ষ্মীপুরে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৩ শতাধিক শিক্ষার্থীকে শিবিরের সংবর্ধনা

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৭ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ১:৩৯ | আপডেট: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ১১:৫৪
Shares
লক্ষ্মীপুরে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৩ শতাধিক শিক্ষার্থীকে শিবিরের সংবর্ধনা

লক্ষ্মীপুরে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৩ শতাধিক শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। কৃতী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা এবং তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনে আরও ভালো ফলাফলের জন্য অনুপ্রেরণা জোগাতেই এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে লক্ষ্মীপুর শহরের একটি রেস্টুরেন্টে শহর শিবিরের উদ্যোগে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী ৩ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে কৃতী শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পরে তাদের হাতে ক্রেস্ট ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের আগামী দিনের শিক্ষা ও কর্মজীবনে সাফল্য অর্জনের জন্য বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম।

শহর শিবিরের সভাপতি আবদুল আউয়াল হামদু ও সেক্রেটারি ইসমাইল হোসেন ফয়সালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াতের আমীর এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক আবদুল করিম, লক্ষ্মীপুর পৌর জামায়াতের আমীর অ্যাডভোকেট আবুল ফারাহ নিশান, নায়েবে আমির জহিরুল ইসলাম এবং চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল ইসলাম সুমন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, শিক্ষক, অভিভাবক ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, একটি দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে তার তরুণ প্রজন্মের ওপর। শিক্ষার্থীদের শুধু ভালো ফলাফল অর্জন করলেই হবে না, তাদেরকে নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, মানবিকতা ও দেশপ্রেমের সমন্বয়ে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। অর্জিত জ্ঞানকে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানোর জন্য তারা কৃতী শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

তারা আরও বলেন, জিপিএ-৫ অর্জন শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হলেও এটিই শিক্ষাজীবনের চূড়ান্ত লক্ষ্য নয়। উচ্চশিক্ষায় নিজেদের আরও দক্ষ ও যোগ্য করে গড়ে তুলে ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে কৃতী শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি তাদের অভিভাবকদেরও অভিনন্দন জানানো হয়। বক্তারা বলেন, একজন শিক্ষার্থীর ভালো ফলাফলের পেছনে শিক্ষক ও অভিভাবকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণার কারণেই শিক্ষার্থীরা কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হয়।