রশিদ খানের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে আয়ারল্যান্ডকে ৩ উইকেটে হারিয়েছে আফগানিস্তান। ২০৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ৪৪.৫ ওভারে জয় তুলে নেয় তারা। শেষ দিকে ব্যাট হাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন রশিদ। এই জয়ের ফলে আগামী বছরের ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলা নিশ্চিত করেছে আফগানিস্তান।
(১০ আগস্ট) আয়ারল্যান্ডের মাটিতে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের ৩য় ওয়ানডে মুখোমুখি হয় দুই দল। টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪৭তম ওভারে ২০৬ রানে অলআউট হয় আয়ারল্যান্ড। এই জয়ে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি টানা চতুর্থ ওয়ানডে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করল আফগানরা। প্রথম ওয়ানডে ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে একটি বলও মাঠে না গড়িয়ে সম্পূর্ণ পরিত্যক্ত হয়েছিল।
শুরুতেই ফজলহক ফারুকির বলে অ্যান্ড্রু বালবির্নিকে হারায় আয়ারল্যান্ড। এরপর পল স্টার্লিং ও কেইড কারমাইকেল জুটি গড়ে দলকে সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে ইয়ামিন আহমদজাই সেই জুটি ভাঙার পর দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে স্বাগতিকরা।
রশিদের বলে কারমাইকেল ও পরে এএম গাজানফরের বোলিংয়ে লরকান টাকার ও কার্টিস ক্যাম্ফার ফেরেন। ২১.৩ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে আয়ারল্যান্ড। পরে রশিদের গুগলিতে হ্যারি টেক্টরও আউট হন।
তবে গ্যাভিন হোয়ে ও জায় মোন্দ্রার ৭৬ রানের জুটিতে দুইশ পেরোয় আয়ারল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত ২০৬ রানে গুটিয়ে যায় তাদের ইনিংস। আফগানিস্তানের হয়ে রশিদ ও গাজানফর ৩টি করে উইকেট নেন।
জবাবে রহমানউল্লাহ গুরবাজের ৭১ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংসে ভালো শুরু পায় আফগানিস্তান। ইব্রাহিম জাদরান ও সেদিকউল্লাহ আতালও অবদান রাখেন। তবে পরপর কয়েকটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় আফগানরা।
আজমতউল্লাহ ওমরজাই আউট হওয়ার সময় জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৩০ রান, হাতে ছিল মাত্র তিন উইকেট। তখন ইয়ামিন আহমদজাইকে সাথে নিয়ে ম্যাচের হাল ধরেন রশিদ। এক প্রান্তে ইয়ামিন উইকেট আগলে রাখলেও অন্য প্রান্তে প্রয়োজনীয় রান তুলে নেন রশিদ।
শেষ পর্যন্ত রশিদের অপরাজিত ৩৭ রানে ৪৪.৫ ওভারে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় আফগানিস্তান। আয়ারল্যান্ডের হয়ে গ্যাভিন হোয়ে ৪ উইকেট নিলেও দলের হার ঠেকাতে পারেননি।


