...|...|...

জাতীয়

যথাসময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফর করবেন: ভারতীয় হাইকমিশনার

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সন্ধ্যা ৬:৫৯ | আপডেট: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ১২:৪৪
Shares
যথাসময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফর করবেন: ভারতীয় হাইকমিশনার

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে ভারত আত্মবিশ্বাসী এবং উপযুক্ত সময়ে প্রয়োজনীয় আয়োজন সম্পন্ন হবে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর সাথে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

দীনেশ ত্রিবেদী জানান, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য ভারত সফরের আমন্ত্রণ বহাল রয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও বিষয়টি সম্পর্কে অবগত। দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতার ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে বৈঠকের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে স্থবিরতার কোনো কারণ নেই। বৈঠক আজ না হলে ভবিষ্যতে অন্য কোনো সময়ে হতে পারে। তবে শুধু উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের অপেক্ষায় না থেকে দুই দেশের বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়া জরুরি।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে চলমান সহযোগিতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।

পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রসঙ্গ তুলে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বায়ু, নদী, জলবায়ু এবং বন্যপ্রাণীর মতো বিষয় কোনো রাষ্ট্রীয় সীমান্তে আবদ্ধ নয়। তাই এসব সমস্যা মোকাবিলায় প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

পরিষ্কার বায়ু ও পরিবেশ রক্ষার মতো লক্ষ্য অর্জন দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া উল্লেখ করে তিনি বলেন, আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় আলোচনার পাশাপাশি কার্বন ক্রেডিট, সুন্দরবন সংরক্ষণ এবং হাতির চলাচলের করিডোর ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে দুই দেশের কর্মকর্তাদের পর্যায়ে কার্যকর অগ্রগতি প্রয়োজন।

এর আগে পরিবেশমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর সাথে বৈঠকে পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন ভারতের হাইকমিশনার।

বৈঠক শেষে পরিবেশমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক কিংবা প্রশাসনিক বিভিন্ন সমীকরণের চেয়েও বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের স্বার্থ, বাণিজ্যিক সম্পর্ক এবং পরিবেশগত পারস্পরিক নির্ভরতা গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে সহযোগিতার কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার সুযোগ নেই।

তিনি জানান, দুই দেশের কর্মকর্তা পর্যায়ে আলোচনা এবং বিভিন্ন যৌথ উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।