...|...|...

বিশ্ব

জাকির নায়েককে ভারতের হাতে তুলে দেওয়া নিয়ে যা বললেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী

টাইমস টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ১০:১৪ | আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ১০:১৮
Shares
জাকির নায়েককে ভারতের হাতে তুলে দেওয়া নিয়ে যা বললেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ও ভারতীয় ইসলামি বক্তা জাকির নায়েক। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের আলোচিত ইসলামিক বক্তা ড. জাকির নায়েককে দেশটির কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়ার (প্রত্যর্পণ) বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির সাথে আলাপে এ তথ্য জানান তিনি।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর দেশটির সংবাদমাধ্যমকে আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, ‘আলোচনায় অবশ্যই এসব বিষয় স্থান পেয়েছে। দুই দেশের স্বার্থ রক্ষার্থেই আমরা বিষয়টি গোপন রাখা প্রয়োজন মনে করেছি। তবে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সম্পর্ক জোরদারে বিষয়টিকে আমরা অগ্রাধিকার তালিকায় রেখেছি।’

প্রত্যর্পণের বিষয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী অবশ্য জোর দিয়ে বলেন, তার দেশে আইনের শাসন নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, ‘তাদের (প্রত্যর্পণের) দাবির বিষয়টি আমরা বুঝি, তবে এ বিষয়ে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে এগোতে হবে। আইনের শাসনকে শ্রদ্ধা করতে হবে এবং এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্বকেও বিবেচনায় রাখতে হবে।’

ভারতে ‘অর্থপাচার এবং বিদ্বেষমূলক’ বক্তব্যের অভিযোগে অভিযুক্ত ইসলামিক বক্তা জাকির নায়েক বর্তমানে ‘স্থায়ী বাসিন্দা’ হিসেবে মালয়েশিয়ায় বসবাস করছেন। ২০১৬ সালে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ জাকির নায়েক এবং তার প্রতিষ্ঠান ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন ও পিস টিভির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করার পরই মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান তিনি। পরে তাকে দেশটির স্থায়ী রেসিডেন্সি দেওয়া হয়।

ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে জাকির নায়েকের প্রত্যর্পণ দাবি করে আসলেও মালয়েশিয়া জানিয়েছে, সুনির্দিষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন সাপেক্ষে এবং আইনগত প্রক্রিয়া মেনেই কেবল তারা এ বিষয়ে সহযোগিতা করবে।
উল্লেখ্য, একইভাবে ‘পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাব’ দেখিয়ে তার বিরুদ্ধে ‘রেড নোটিশ’ জারি করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল ইন্টারপোল।

ভারতে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই উপমহাদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয় ইসলামিক বক্তা জাকির নায়েককে নিশানা বানানো হয়। তার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ এনে একপ্রকার তাকে ‘দেশান্তরী’ হতে বাধ্য করা হয়। তবে দেশটি কখনোই নিজেদের অভিযোগের পক্ষে জোরালো তথ্যপ্রমাণ পেশ করতে পারেনি।