আলো, গতি আর সম্ভাবনার শহরগুলোর বিশ্বমঞ্চে আবারও শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রেখেছে নিউইয়র্ক। বিশ্বের এক হাজার শহরকে পেছনে ফেলে সেরা শহরের তালিকার শীর্ষস্থান দখল করেছে যুক্তরাষ্ট্রের এই মহানগর। তালিকায় এর পরেই রয়েছে যুক্তরাজ্যের লন্ডন ও ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। ‘অক্সফোর্ড ইকোনমিকস ২০২৬ গ্লোবাল সিটিজ ইনডেক্স’-এ বিশ্বের সেরা শহরগুলোর এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।
মূলত পাঁচটি বিষয়—শাসনব্যবস্থা, অর্থনীতি, মানবসম্পদ, পরিবেশ এবং জীবনযাত্রার মান বিবেচনা করে শহরগুলোর র্যাংকিং নির্ধারণ করা হয়েছে।
সূচকের শীর্ষ ১০ শহরের তালিকায় নিউইয়র্ক, লন্ডন ও প্যারিসের পর যথাক্রমে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটল ও সান ফ্রান্সিসকো। ষষ্ঠ অবস্থানে আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিন। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন সপ্তম, সান হোসে অষ্টম, জাপানের টোকিও নবম এবং সুইজারল্যান্ডের জুরিখ দশম স্থান অর্জন করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের শীর্ষ শহরগুলোর বড় শক্তি হলো বিশ্বজুড়ে দক্ষ ও শিক্ষিত মানুষকে আকৃষ্ট করার ক্ষমতা। মানবসম্পদের ক্যাটাগরিতে সবচেয়ে এগিয়ে লন্ডন, যার ৪০ শতাংশ বাসিন্দাই জন্মসূত্রে বিদেশি। বোস্টনেও খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপস্থিতির কারণে মানবসম্পদ সূচক শক্তিশালী।
জীবনযাত্রার মান ও সংস্কৃতির দিক দিয়ে এগিয়ে রয়েছে প্যারিস। অন্যদিকে পরিবেশ রক্ষায় অগ্রগামী ভূমিকা রাখছে লন্ডন, সান ফ্রান্সিসকো ও ডাবলিন।
প্রযুক্তিতে আধিপত্য ধরে রেখে মাথাপিছু জিডিপির দিক থেকে তালিকার শীর্ষে রয়েছে সান হোসে। প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) দ্রুত ব্যবহারের কারণে এস্তোনিয়ার রাজধানী তাল্লিনকে ‘সিটিজ টু ওয়াচ’ তালিকায় রাখা হয়েছে।


