জ্বালানি তেলের বাড়তি দাম এবং যুক্তরাষ্ট্রের শক্ত মূল্যস্ফীতির তথ্যে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) চলতি বছরের শেষের দিকে আবারও সুদের হার বাড়াতে পারে—এমন অনুমানে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টা ১১ মিনিট পর্যন্ত স্পট মার্কেটে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ০.৫ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৪,০০০.৫৪ ডলারে। অন্যদিকে, ডিসেম্বরে সরবরাহের জন্য মার্কিন ফিউচার মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,০১০.১০ ডলারে নেমে আসে। এর মাধ্যমে টানা দ্বিতীয় মাসের মতো দরপতনের মুখে পড়ল মূল্যবান এই ধাতু।
বাজার বিশ্লেষণী প্রতিষ্ঠান ‘কেসিএম ট্রেড’-এর প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, স্বর্ণের বর্তমান দরপতন ৪,০০০ ডলারের মনস্তাত্ত্বিক সাপোর্ট লেভেলকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। অতীতে দাম কমলে ক্রেতারা কেনাকাটা বাড়িয়ে দরপতন ঠেকালেও, এবার ভ্যালু বাইং সোনাকে রক্ষা করতে পারবে কি না তা দেখার বিষয়।
তিনি আরও যোগ করেন, চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের সামষ্টিক অর্থনীতির তথ্যে এমন সব ইতিবাচক সূচক এসেছে যা ফেডকে ডিসেম্বরে সম্ভাব্য সুদহার বাড়ানোর পথেই রাখছে। এর সাথে বর্তমানে তেলের উচ্চমূল্য যুক্ত হওয়ায় মূল্যস্ফীতির সাপেক্ষে সোনা তার ধারাবাহিক আকর্ষণ হারাচ্ছে।
স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। স্পট সিলভার বা রুপার দাম ১.৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫১.৫৩ ডলারে নেমেছে। এছাড়া প্ল্যাটিনামের দাম ১.৯ শতাংশ কমে ১,৪৫৯.৭৫ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১.৪ শতাংশ কমে ৯৯২.৩৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এই তিনটি ধাতুই সাপ্তাহিক ও মাসিক দরপতনের দিকে যাচ্ছে।


