পর্যটকবান্ধব কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে ফ্রেশ ওয়াটার শাওয়ার, চেঞ্জিং রুম, লকার, ক্যাফে, পর্যটক গাইড ও রেসকিউ টিমের সুবিধা চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম. রাশিদুজ্জামান মিল্লাত।
একইসাথে রাতেও পর্যটকদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সৈকতের পুরো এলাকায় সৌরবিদ্যুতের আলো স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় তিন দিনব্যাপী ১৩তম এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিপুলসংখ্যক পর্যটক যান। বিশেষ করে শুক্রবার ও শনিবার সেখানে কয়েক লাখ মানুষের সমাগম হয়। তবে সমুদ্রসৈকতে গোসলের পর পর্যটকদের ফ্রেশ হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধা পর্যাপ্ত নেই।
তিনি বলেন, সৈকতে এমন ব্যবস্থা করা দরকার, যেখানে পর্যটকরা সমুদ্রের পানিতে গোসল করার পর ফ্রেশ ওয়াটারের শাওয়ার নিতে পারবেন। সেখানে পোশাক পরিবর্তনের জন্য চেঞ্জিং রুম ও লকারের ব্যবস্থাও থাকবে। পাশাপাশি ক্যাফে বা কফিশপ রাখার পরিকল্পনাও রয়েছে।
পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, এসব সুবিধার সাথে পর্যটন পুলিশ, পর্যটক গাইড এবং রেসকিউ টিম থাকবে। উদ্ধার কার্যক্রমের প্রয়োজনে চিকিৎসক ও নার্সের ব্যবস্থাও রাখা হবে। সবগুলো সুবিধাকে একটি সমন্বিত ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
কক্সবাজার সৈকতে রাতের আলোর ঘাটতির কথাও তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, সন্ধ্যার পর সৈকতের অনেক জায়গা অন্ধকার হয়ে যায়। তাই অন্তত পুরো সৈকত এলাকায় সৌরবিদ্যুতের আলো স্থাপনের মাধ্যমে রাতেও পর্যটকদের নিরাপদ পরিবেশ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।


