...|...|...

বিনোদন

নায়িকা রোজিনার পর এবার পৈতৃক ভিটায় মসজিদ নির্মাণ করছেন ববিতা

টাইমস টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০২৬, দুপুর ১:৪৫ | আপডেট: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৩:৩৮
Shares
নায়িকা রোজিনার পর এবার পৈতৃক ভিটায় মসজিদ নির্মাণ করছেন ববিতা

ছবি : সংগৃহীত

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি নায়িকা ববিতা এবার একটি মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে সমাজের জন্য স্থায়ী একটি কল্যাণকর কাজ করে যেতে চান গুণী এই অভিনেত্রী। সেই ভাবনা থেকেই গ্রামের বাড়ি যশোরের পৈতৃক ভিটায় একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেত্রী।

এর আগে আরেক কিংবদন্তি অভিনেত্রী রোজিনাও পৈতৃক ভিটা রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দে নিজের মায়ের নামে একটি ১০ গম্বুজবিশিষ্ট দৃষ্টিনন্দন মসজিদ নির্মাণ করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। তুরস্কের স্থাপত্যশৈলী অনুসরণে নির্মিত ওই মসজিদটি ইতোমধ্যে স্থানীয়দের দৃষ্টি কেড়েছে।

সম্প্রতি বড় বোন সুচন্দা ও ছোট বোন চম্পাকে সাথে নিয়ে যশোরের বিজয়নগরে অবস্থিত তাদের দাদাবাড়ি ঘুরে আসেন ববিতা। শৈশবের অসংখ্য স্মৃতিবিজড়িত সেই সফরেই মসজিদ নির্মাণের জন্য উপযুক্ত জমি নির্বাচন ও চূড়ান্ত করেছেন বলে জানান তিনি।

গণমাধ্যমে তিনি বলেন, ‘এবার দাদাবাড়িতে গিয়ে মসজিদের জন্য জমি দেখে এসেছি। জমি চূড়ান্ত করে এসেছি। এতে আমার খুব শান্তি লাগছে। মনে হচ্ছে, সৃষ্টিকর্তা আমাকে একটি ভালো কাজ করার সুযোগ দিচ্ছেন। আমি খুব সুন্দর করে একটি মসজিদ নির্মাণ করতে চাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘একদিন তো সবাইকে পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে। জন্ম হয়েছে, মৃত্যু একদিন হবেই। তাই চলে যাওয়ার আগে একটি ভালো কাজ করে যেতে চাই। খুব শিগগির মসজিদের নকশা করব। তারপর ধীরে ধীরে কাজ শুরু করব। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন।’

১৯৬৮ সালে শিশুশিল্পী হিসেবে জহির রায়হান পরিচালিত ‘সংসার’ সিনেমার মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করেন ববিতা । চলচ্চিত্র জগতে তার প্রাথমিক নাম ছিলো ‘সুবর্ণা’। জহির রায়হানের ‘জ্বলতে সুরুজ কি নিচে’ সিনেমাতে অভিনয় করতে গিয়েই তার নাম হয়ে যায় ‘ববিতা’।

নায়িকা হিসেবে ববিতার প্রথম সিনেমা ‘শেষ পর্যন্ত’। তার আসল নাম ফরিদা আক্তার পপি। কিন্তু চলচ্চিত্রে আসার পর পরিচিতি পেয়েছেন ববিতা নামে। ক্যারিয়ারে তিন শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। তার চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে- অশনি সংকেত, অনঙ্গ বউ, আলোর মিছিল, লাইলি মজনু, চ্যালেঞ্জ, জন্ম থেকে জ্বলছি, দহন, দিপু নাম্বার টু উল্লেখযোগ্য।

১৯৭৫ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রবর্তনের পর টানা তিনবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন রূপালি পর্দার এই অভিনেত্রী। এছাড়াও ২০১৬ সালে তাকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়।