সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো বা পে-স্কেল অনুমোদনের প্রক্রিয়া দ্রুত এগোচ্ছে। আগামী সোমবারের (৩১ আগস্ট) মন্ত্রিসভা বৈঠকে নতুন বেতন কাঠামোর প্রস্তাব উপস্থাপন করা হতে পারে। সেখানে অনুমোদন মিললে আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে বলে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র।
প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামোয় সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ২০টি গ্রেডে মূল বেতন নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সর্বনিম্ন ২০তম গ্রেডে মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ১ম গ্রেডে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, ১ম গ্রেডের মূল বেতন ধরা হয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। ২য় গ্রেডে ১ লাখ ৩২ হাজার থেকে ১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা, ৩য় গ্রেডে ১ লাখ ১৩ হাজার থেকে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮০০ টাকা এবং ৪র্থ গ্রেডে ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৪২ হাজার ৪০০ টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে।
এ ছাড়া ৫ম গ্রেডে ৮৬ হাজার থেকে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭০০ টাকা, ৬ষ্ঠ গ্রেডে ৭১ হাজার থেকে ১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা এবং ৭ম গ্রেডে ৫৮ হাজার থেকে ১ লাখ ২৬ হাজার ৮০০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত কাঠামোতে ৮ম গ্রেডে মূল বেতন ৪৭ হাজার ২০০ থেকে ১ লাখ ১৩ হাজার ৭০০ টাকা এবং ৯ম গ্রেডে ৪৫ হাজার ১০০ থেকে ১ লাখ ৮ হাজার ৮০০ টাকা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে।
১০ম গ্রেডে ৩২ হাজার থেকে ৭৭ হাজার ৩০০ টাকা, ১১তম গ্রেডে ২৫ হাজার থেকে ৬০ হাজার ৫০০ টাকা এবং ১২তম গ্রেডে ২৪ হাজার ৩০০ থেকে ৫৮ হাজার ৭০০ টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে।
১৩তম থেকে ১৬তম গ্রেড পর্যন্ত প্রস্তাবিত মূল বেতন যথাক্রমে— ২৪ হাজার থেকে ৫৮ হাজার টাকা, ২৩ হাজার ৫০০ থেকে ৫৬ হাজার ৮০০ টাকা, ২২ হাজার ৮০০ থেকে ৫৫ হাজার ২০০ টাকা এবং ২১ হাজার ৯০০ থেকে ৫২ হাজার ৯০০ টাকা।
অন্যদিকে, ১৭তম গ্রেডে ২১ হাজার ৪০০ থেকে ৫১ হাজার ৯০০ টাকা, ১৮তম গ্রেডে ২১ হাজার থেকে ৫০ হাজার ৯০০ টাকা, ১৯তম গ্রেডে ২০ হাজার ৫০০ থেকে ৪৯ হাজার ৬০০ টাকা এবং ২০তম গ্রেডে ২০ হাজার থেকে ৪৮ হাজার ৪০০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
তবে নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত প্রস্তাবিত এসব অঙ্ককে চূড়ান্ত বেতন হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। অনুমোদন ও সরকারি আদেশের পরই কার্যকর বেতন কাঠামো নিশ্চিত হবে।


