ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দায়িত্ব পালনকালে না ফেরার দেশে চলে যায় মো. ফখরুল ইসলাম (৪২) নামে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কর্মকর্তা।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ফখরুল ইসলাম কুমিল্লা জেলার কোতোয়ালি থানার ইলাছপুর ইউনিয়নের মির্জানগর গ্রামের মৃত সানাউল হকের ছেলে। প্রায় দেড় মাস আগে এএসআই ফখরুল ইসলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিআইডিতে যোগদান করেন। এর আগে তিনি ডিএমপিতে কর্মরত ছিলেন৷
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, এএসআই মো. ফখরুল ইসলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অবস্থিত সিআইডি অফিসে দায়িত্ব পালন করছিলেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে সহকর্মীরা তাকে দ্রুত ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে রাত সোয়া ১২টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আহসান হাবিব বলেন, ‘ওই পুলিশ কর্মকার্তকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছিল। কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট বা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রকিব উর রাজা বলেন, ‘সিআইডিতে কর্মরত একজন পুলিশ সদস্য মারা গেছেন। খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়েছিলাম। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক একটি ঘটনা। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে রাতেই তার মরদেহ পরিবারের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। তার মৃত্যুতে সহকর্মী ও জেলা পুলিশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।’


