টাইমস হায়ার এডুকেশন (টিএইচই) ইমপ্যাক্ট র্যাঙ্কিং ২০২৬-এ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। গত বছরের তুলনায় প্রায় ৬০০ ধাপ এগিয়ে এবার বিশ্ববিদ্যালয়টি ৪০১-৬০০ ব্যান্ডে স্থান পেয়েছে। গত বছর প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান ছিল ১০০১-১৫০০ ব্যান্ডে।
বুধবার (২৪ জুন) প্রকাশিত এ র্যাঙ্কিংয়ে বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন, নীতিমালা ও সামাজিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে অবদান মূল্যায়ন করা হয়েছে। এ বছর বিশ্বের ১১৬টি দেশ ও অঞ্চলের ১ হাজার ৬৪৬টি বিশ্ববিদ্যালয়কে মূল্যায়নের আওতায় আনা হয়।
র্যাঙ্কিংয়ে বিভিন্ন এসডিজি সূচকেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উল্লেখযোগ্য অবস্থান অর্জন করেছে।
‘নো পোভার্টি’ (এসডিজি-১) সূচকে বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান ৩০১-৪০০ ব্যান্ডে। ‘গুড হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিয়িং’ (এসডিজি-৩) এবং ‘রিডিউসড ইনইক্যুয়ালিটিস’ (এসডিজি-১০) সূচকে অবস্থান ৪০১-৬০০ ব্যান্ডে। ‘কোয়ালিটি এডুকেশন’ (এসডিজি-৪) সূচকে ৩০১-৪০০ এবং ‘জেন্ডার ইক্যুয়ালিটি’ (এসডিজি-৫) সূচকে ৬০১-৮০০ ব্যান্ডে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।
এ ছাড়া ‘ডিসেন্ট ওয়ার্ক অ্যান্ড ইকোনমিক গ্রোথ’ (এসডিজি-৮) সূচকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ২০১-৩০০ ব্যান্ডে।
‘সাসটেইনেবল সিটিজ অ্যান্ড কমিউনিটিজ’ (এসডিজি-১১) এবং ‘পার্টনারশিপস ফর দ্য গোলস’ (এসডিজি-১৭) সূচকে বিশ্ববিদ্যালয়টি ১০১-২০০ ব্যান্ডে স্থান পেয়েছে।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে ‘পিস, জাস্টিস অ্যান্ড স্ট্রং ইনস্টিটিউশনস’ (এসডিজি-১৬) সূচকে। এ সূচকে বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ২৪তম স্থান অর্জন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলে এই অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে।
শিক্ষা, গবেষণা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে ‘পিস, জাস্টিস অ্যান্ড স্ট্রং ইনস্টিটিউশনস’ সূচকে বিশ্বের ২৪তম স্থান অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। জাতীয় ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জ্ঞানভিত্তিক গবেষণা, উদ্ভাবন, সুশাসন ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কাজ করে যাচ্ছে।

