...|...|...

জাতীয়

জামায়াত আমিরকে না বুঝে কথা না বলার আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

টাইমস টুুডে প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকেল ৫:৫২
Shares
জামায়াত আমিরকে না বুঝে কথা না বলার আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্রিফিং করছেন প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাড়ানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বোয়িং কেনা নিয়ে জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে না বুঝে কথা না বলতে বলেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে যোগদান নিয়ে এ সম্মেলন ডাকা হয়েছিল।

বিমান কেনার প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন রুট চালুর লক্ষ্যেই আরও বিমান কেনা হবে। কাউকে খুশি করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ঢাকা-নিউইয়র্ক ফ্লাইট চালু নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর সফর সংক্ষিপ্ত ছিল কি না, এমন প্রশ্নকে তিনি ‘অদ্ভুত’ বলে মন্তব্য করেন। তার ভাষ্য, সাধারণত সরকারপ্রধানরা সেখানে দুই দিন থাকেন, অথচ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন চার দিন। এ সময়ে তিনি প্রায় ৩০টি বৈঠক করেছেন।

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী দলীয় বক্তব্য দিয়েছেন কি না, জানতে চাইলে হুমায়ুন কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রী কথা বলেছেন জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে। এটি কোনো নির্দিষ্ট দলের বিষয় নয়। না পড়ে, না শুনে মন্তব্য করা ঠিক নয় বলেও মনে করিয়ে দেন তিনি।

প্রশ্নোত্তর পর্বের আগে লিখিত বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এবারের অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। নতুন সরকারের জন্য এটি ছিল সাধারণ পরিষদে প্রথম অংশগ্রহণ।

একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও প্রথমবার জাতিসংঘের এই মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

তার ভাষ্যে, এর ফলে একই পরিবারের দুই প্রজন্মের তিনজন প্রধানমন্ত্রীর বিশ্বমঞ্চে প্রতিনিধিত্বের অনন্য নজির তৈরি হয়েছে।

এ ছাড়া বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করায় দেশের মর্যাদা আরও বেড়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী মোট ৩০টি আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে অংশ নেন। এর মধ্যে ছিল সাধারণ পরিষদে একটি ঐতিহাসিক ভাষণ, সাতটি উচ্চপর্যায়ের সভায় বক্তব্য এবং ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক।

পাশাপাশি জাতিসংঘসহ ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও তিনি বৈঠক করেন।

সবশেষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সফল হয়েছে। এই সফর নতুন সরকারের প্রতিশ্রুতি ও প্রত্যাশা বিশ্বের সামনে তুলে ধরার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা বাড়ানোর গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করেছে।