দেশের প্রকৃত কৃষকদের কাছে সরকারি সব ধরনের সহায়তা ও প্রণোদনা সরাসরি পৌঁছে দিতে চালু হতে যাচ্ছে ডিজিটাল ডাটাবেজ-সম্বলিত ‘কৃষক কার্ড’। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর এই নতুন ব্যবস্থার পাইলটিং উদ্বোধন হওয়ার কথা রয়েছে।
উদ্বোধনী দিনেই সারা দেশের ১ লাখ ১০ হাজার ৩৬৪ জন কার্ডধারী কৃষক পাবেন ২ হাজার ৫০০ টাকা করে নগদ প্রণোদনা। পাশাপাশি ফেনী জেলার ৭ হাজার ৬৪৩ জন কৃষকের হাতে তুলে দেওয়া হবে আনুষ্ঠানিকভাবে ছাপানো প্রথম কৃষক কার্ড।
কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, এই স্মার্ট কার্ড দেওয়া হবে সম্পূর্ণ বৈষম্যহীনভাবে। জমির মালিকানা অনুযায়ী কৃষকদের ভূমিহীন (৫ শতকের কম), প্রান্তিক (৫-৪৯ শতক), ক্ষুদ্র (৫০-২৪৯ শতক), মাঝারি (২৫০-৭৪৯ শতক) ও বড় (৭৫০ শতকের বেশি)—এই পাঁচ শ্রেণিতে ভাগ করে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
কৃষক কার্ডধারীরা ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচ, স্বল্পমূল্যে যন্ত্রপাতি, সহজ শর্ত ও কম সুদে ঋণ এবং সরকারি ভর্তুকি পাওয়ার সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি থাকবে ফসলের রোগবালাই সংক্রান্ত মোবাইল পরামর্শ ও কৃষি বিমার সুযোগ। শুধু তা-ই নয়, কার্ডধারী প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকেরা বছরে অন্তত ২ হাজার ৫০০ টাকা নগদ সহায়তার আওতায় থাকবেন।
কৃষক কার্ড পাওয়ার জন্য এনআইডি, জমির খতিয়ান ও সচল মোবাইল নম্বর প্রয়োজন হবে। মাঠপর্যায়ে কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তা ও ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও (farmerscard.gov.bd/eligibility) আবেদন করা যাবে।
কৃষক কার্ড হারিয়ে গেলে নিকটস্থ উপজেলা কৃষি অফিসে আবেদন করতে হবে। সেখান থেকে ডুপ্লিকেট কার্ড সংগ্রহ করা যাবে।

