কক্সবাজার সৈকতের সুগন্ধা থেকে সায়মন পয়েন্ট পর্যন্ত নির্মিত হচ্ছে একটি দৃষ্টিনন্দন সড়ক। এটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৪ কোটি টাকা। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৮ সালের মধ্যে এটি মেরিনড্রাইভ সড়কের সাথে যুক্ত হবে। এতে কমে আসবে সৈকত এলাকায় ছিনতাইসহ নানা অপরাধ।
সৈকত তীরে দুই কিলোমিটার সড়ক। দুইপাশে থাকবে নান্দনিক সব স্থাপনা। একই সাথে থাকবে সবুজায়ন। নিরাপত্তা ও পর্যটকদের সুবিধার্তে এই সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সরকার ও জাইকা যৌথভাবে অর্থায়ন করছে এই প্রকল্পে। সড়কটি প্রস্থ ধরা হয়েছে ২৮ মিটার। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে পরিবর্তন আসবে নিরাপত্তা ও পর্যটকদের যাতায়াতে।
কক্সবাজার পৌরসভা কর্তৃক বাস্তবায়িত প্রকল্পটির বিষয়ে পরিবেশবাদীদের বলছেন-পর্যটকদের সুবিধা বিবেচনায় উন্নয়ন চলমান থাকুক। তবে পরিবেশের দিকে নজর দেয়ার আহবান জানান তারা। তাই সড়কের দুপাশে সবুজ ও টেকশই বৃক্ষরোপনের তাগিদ দিয়েছেন অনেকে।
সম্প্রতি স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজল প্রকল্প এলাকাটি পরিদর্শন করে বলেন, 'সড়কটি আগে থেকে ছিল, এটিকে উন্নতি করা হচ্ছে। এছাড়া সৈকত বা তার আশে-পাশের পরিবেশ রক্ষা করে এই সড়ক শহর রক্ষা বাঁধ হিসেবেও কাজ করবে।
সড়কটি চালু হলে ২০২৮ সালের মধ্যে কলাতলী থেকে লাবনী মোড় পর্যন্ত সড়কে কমে আসবে যানজট। একই সাথে কমে আসবে ছিনতাইসহ নানা অপরাধ।
কক্সবাজারের পর্যটন বিকাশে এই দৃষ্টিনন্দন সড়কটির গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে বলে মনে করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।


