...|...|...

সারাদেশ

এক বছরে এপিবিএন-৮ এর সাফল্য

টাইমস টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ১ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:০৬ | আপডেট: ২৭ আগস্ট ২০২৬, বিকেল ৫:১৫
Shares
এক বছরে এপিবিএন-৮ এর সাফল্য

এপিবিএন-৮ এর ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন। ছবি: সংগৃহীত

বিগত ১ বছরে দুই লাখের বেশী ইয়াবা উদ্ধার করেছে ৮-আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন। পাশাপাশি ১৬৬জন বিভিন্ন মামলার আসামিকে গ্রেফতার, বিপুল সাব মেশিন গান (এসএমজি), ওয়ান শুটারগান, রিভলবার ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট ) এ তথ্য জানান ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, উখিয়া, কক্সবাজারের অধিনায়ক (ভারপ্রাপ্ত) রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ পিপিএম। 

মিডিয়া সেলের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৫ সালের মে মাস থেকে ২৬ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত বিভিন্ন অভিযানে হারানো মোবাইলসহ অপহৃত ১৩ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশের মহা পরিদর্শক (আইজিপি), আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এর অতিরিক্ত আইজিপি, ডিআইজি এফডিএমএন কক্সবাজারসহ সিনিয়র অফিসারদের নির্দেশনায় ৮ এপিবিএন এর ইন্টেলিজেন্স টিম একের পর এক সফল অভিযান পরিচালনা করে। 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের ১৪ মে ৮ এপিবিএন এর অধিনায়ক (ভারপ্রাপ্ত) হিসাবে যোগদানের পর থেকে  ২০২৬ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত চৌদ্দ মাসে বিভিন্ন অভিযানে ৭১ টি মামলায় ১৬৬ জন অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়। তার মধ্যে হত্যা মামলায় ২২ জন, অস্ত্র মামলায় ৮ জন, অপহরণ মামলায় ১২ জন, মাদক মামলায় ৪৩ জন, ধর্ষণ মামলায় ২ জন, চুরি মামলায় ৫ জনসহ অন্যান্য মামলা ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ ১৬৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

বিভিন্ন বয়সের অপহৃত ১৩ জন নারী, পুরুষ  ও শিশুকে নিরাপদে উদ্ধারে এপিবিএন সফলতা অর্জন করে। অপহরণের ঘটনায় ভিকটিমের জীবননাশের ঝুঁকি থাকে। কিন্তু ৮এপিবিএন এর কৌশলের কাছে বার বার অপহরণকারীরা পরাজিত হয়েছে এবং নিরাপদে ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে। 

এই ১৪ মাসে ৮এপিবিএন উখিয়া, কক্সবাজারের অভিযানে ২ লাখ ৪হাজার ৩১পিস ইয়াবা, একটি সাব মেশিন গান (SMG), একটি পিস্তল,  একটি রিভলবার,  সাতটি ওয়ান শুটারগান, দুটি একনলা বন্দুক, ৩০ রাউন্ড গুলি ও ২৩ রাউন্ড গুলির খোসা, ০৩ রাউন্ড কার্তুজ, বিভিন্ন ধরনের দেশি অস্ত্র,  ২ কেজি গাঁজা,  ২৪০ গ্রাম ইয়াবার গুড়া, দেশি মদ ১৩ লিটার, একটি ওয়াকিটকি সেট, বিকাশ প্রতারনার ৩০ হাজার টাকা, মাদক বিক্রি ও অন্যান্য মিলে ১৪ লাখ ৩৪ হাজার ৫০০ টাকা, ৩৭ টি হারানো/ চুরি হওয়া মোবাইল উদ্ধার করা হয়। 

রিয়াজ উদ্দিন বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গ্রুপ ভিত্তিক মারামারি ও সহিংসতা   নিয়ন্ত্রণ, অস্ত্রের মহড়া প্রতিরোধ, বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ, সরাসরি ও অনলাইন জুয়া বন্ধ এবং পারিবারিক নির্যাতন নিয়ন্ত্রণে   বিভিন্ন প্রদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।