ইরানের সাথে সামরিক সংঘাত শুরুর পর থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনীতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩ জনে পৌঁছেছে। পেন্টাগনের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি নতুন করে আরও দুই সেনাসদস্যের মৃত্যুর বিষয়টি তালিকায় যুক্ত হওয়ায় এই সংখ্যা বাড়ল। যুদ্ধ শুরুর আট মাসেরও বেশি সময় পর এই নতুন পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হলো।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘সিবিএস নিউজ’-এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের ‘ডিফেন্স ক্যাজুয়ালটি অ্যানালাইসিস সিস্টেম’ পোর্টালে যুক্ত হওয়া সাম্প্রতিক এই দুটি মৃত্যুই যুদ্ধ-বহির্ভূত বা অযুদ্ধজনিত কারণে ঘটেছে। পোর্টালে দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, চলমান যুদ্ধে শত্রুপক্ষের প্রত্যক্ষ হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ১১ জন মার্কিন সেনাসদস্য। অন্যদিকে দুর্ঘটনা, শারীরিক অসুস্থতাসহ অন্যান্য যুদ্ধ-বহির্ভূত কারণে মারা গেছেন বাকি ১২ জন।
মার্কিন দৈনিক ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’-কে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পেন্টাগনের তালিকায় নতুন করে যুক্ত হওয়া নিহত দুই সেনাই মার্কিন বিমানবাহিনীর সদস্য। তাদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে গুরুতর অসুস্থতায়। তবে অন্য সেনাসদস্যের মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও প্রকাশ করা হয়নি; বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।
পেন্টাগনের দাফতরিক তথ্যভান্ডারে এই দুই সেনার মৃত্যুর ঘটনা ‘ওভারসিজ অপারেশনস’ শাখার অধীনে নথিভুক্ত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সামরিক অভিযান সমাপ্তির ঘোষণা দেওয়ার পর ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত সামরিক অভিযানের কোডনেম ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ ব্যবহার বন্ধ করে দেয় পেন্টাগন। এরপর থেকেই যাবতীয় তথ্য ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান এই ‘ওভারসিজ অপারেশনস’ শাখাতেই সংরক্ষণ করা হচ্ছে।


