...|...|...

জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি সই বাংলাদেশের

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকেল ৫:৪৪ | আপডেট: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৯:৩৭
Shares
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি সই বাংলাদেশের

ছবি: সংগৃহীত

শান্তিপূর্ণ কাজে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার এবং এ খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে বাংলাদেশ। নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুই দেশের প্রতিনিধিরা এতে সই করেন।

বাংলাদেশের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসাদ এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জ্বালানি ও পরিবেশবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জ্যাকব হেলবার্গ সমঝোতা স্মারকে সই করেন। বিষয়টি বিএনপির মিডিয়া সেল তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছে।

সমঝোতা অনুযায়ী, বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মানের পারমাণবিক নিরাপত্তা, সুরক্ষা, সেফগার্ডস এবং পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধের নীতি অনুসরণের বিষয়ে দুই দেশ একমত হয়েছে। পাশাপাশি দুই দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে পারমাণবিক শক্তির সম্ভাব্য ভূমিকার কথাও এতে উল্লেখ করা হয়েছে।

সমঝোতা স্মারকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সেফগার্ডস চুক্তি ও অতিরিক্ত প্রটোকল কার্যকর রয়েছে। একই সাথে দুই দেশই পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধসংক্রান্ত চুক্তি বা এনপিটির পক্ষভুক্ত।

দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানির উৎস বাড়ানো ও বৈচিত্র্য আনার বাংলাদেশের প্রচেষ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে এই সমঝোতা হলো। বাংলাদেশ রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পাশাপাশি পারমাণবিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগও নিয়েছে।

এর আগে চলতি বছরের মে মাসে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র বৃহত্তর জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে আরেকটি সমঝোতা স্মারক সই করেছিল। ওই উদ্যোগের লক্ষ্য ছিল বিভিন্ন উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের মাধ্যমে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা। নতুন সমঝোতাটি অবশ্য সাধারণ জ্বালানি বাণিজ্যের পরিবর্তে বেসামরিক পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার ও সংশ্লিষ্ট সহযোগিতাকে কেন্দ্র করে করা হয়েছে।

বিএনপির মিডিয়া সেলের ভাষ্য অনুযায়ী, শান্তিপূর্ণ কাজে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারে দুই দেশের সহযোগিতার উদ্যোগের সূত্রপাত ১৯৮১ সালে। বর্তমান সমঝোতাকে সেই উদ্যোগের ধারাবাহিকতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।