ভারতের কর্ণাটকের রায়চুর জেলায় এক নারীকে পাথর দিয়ে মেরে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। পাথর মারার পর তার দেড় বছরের মেয়েকে নিথর দেহের ওপর রেখে যায় অভিযুক্তরা। শিশুটিকে পরে মায়ের শরীর আঁকড়ে ধরে কাঁদতে দেখা যায়।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এনডিটিভির খবরে বলা হয়, সিন্ধানুর উপবিভাগের আরএইচ ক্যাম্প-৫ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নারীর নাম স্নেহা। ২৫ বছর বয়সী স্নেহা আরএইচ ক্যাম্প-৪ এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। গ্রামের উপকণ্ঠের একটি মাঠ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার স্বামী ও প্রেমিক- দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয়রা স্নেহার লাশ দেখতে পেয়ে সেখানে থাকা দেড় বছরের শিশুটিকে অসহায়ভাবে মায়ের শরীর আঁকড়ে ধরে কাঁদতে দেখেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর সময়ও স্নেহা শ্বাস নিচ্ছিলেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
ঘটনার খবর পেয়ে সিন্ধানুর গ্রামীণ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, স্নেহার সাথে তার স্বামী অমিতের চার বছর আগে বিয়ে হয়েছিল। গত চার মাস ধরে শুভম নামের এক ব্যক্তির সাথে তার বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল।
অমিত ও শুভম- দুজনকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডে কে জড়িত এবং এর পেছনে কী কারণ ছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। স্নেহার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সিন্ধানুর তালুক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


