...|...|...

জাতীয়

বৈশাখী ভাতা নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় দুঃসংবাদ

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকেল ৫:৫১
Shares
বৈশাখী ভাতা নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় দুঃসংবাদ

ছবি: টাইমস টুডে গ্রাফিক্স

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে যখন বেতন-ভাতা বৃদ্ধির প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, তখন বাংলা নববর্ষের বৈশাখী ভাতা নিয়ে এসেছে ভিন্ন খবর। প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামোয় এ ভাতার হার কমানোর কথা বলা হয়েছে।

বর্তমানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বৈশাখী ভাতা পান। নতুন বেতন কাঠামোর প্রস্তাবে এই হার কমিয়ে ১৫ শতাংশ করার কথা উল্লেখ রয়েছে। ফলে আগের তুলনায় ভাতার হার ৫ শতাংশীয় পয়েন্ট কমবে।

তবে মূল বেতন বাড়ানোর প্রস্তাব থাকায় বাস্তবে বৈশাখী ভাতা হিসেবে পাওয়া টাকার পরিমাণ সবার ক্ষেত্রে কমবে—এমনটা নয়। নতুন কাঠামোয় বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে গ্রেড অনুযায়ী মূল বেতন ১০০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে বেতনের ভিত্তি বাড়ায় ১৫ শতাংশ হিসাবেও অনেক চাকরিজীবী আগের তুলনায় বেশি অর্থ পেতে পারেন।

নতুন পে স্কেলে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, মোবাইল, যাতায়াত ও টিফিন ভাতাসহ বিভিন্ন সুবিধায় পরিবর্তনের প্রস্তাব রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে ভাতা বাড়ানোর উদ্যোগ থাকলেও বৈশাখী ভাতার হার কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

এদিকে পাহাড়ি ভাতা এবং হাওড়, দ্বীপ ও চরভাতা মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এসব ভাতার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণের কথা রয়েছে। পাশাপাশি ঝুঁকি ভাতাসহ কয়েকটি বিশেষ ভাতার পরিমাণও বর্তমানের তুলনায় বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভার বৈঠকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো অনুমোদনের কথা জানানো হয়। প্রস্তাবিত পে স্কেল ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে। তবে মূল বেতন একবারে কার্যকর না করে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যান্য ভাতা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকরের কথা বলা হয়েছে।

তবে মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পরও নতুন জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ হয়নি। তাই বৈশাখী ভাতাসহ অন্যান্য ভাতার হার শেষ পর্যন্ত কী হবে, তা গেজেট এবং পরবর্তী বাস্তবায়ন নির্দেশনা প্রকাশের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।