...|...|...

জাতীয়

বৈরী আবহাওয়ায় কার্গো থেকে এলএনজি স্থানান্তর ব্যাহত, কমেছে গ্যাস সরবরাহ

টাইমস টুুডে প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ১১:৫২ | আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ১১:৫৯
Shares
বৈরী আবহাওয়ায় কার্গো থেকে এলএনজি স্থানান্তর ব্যাহত, কমেছে গ্যাস সরবরাহ

কক্সবাজারের মহেশখালী এলাকায় বৈরী আবহাওয়ার কারণে আমদানিকৃত এলএনজি কার্গো থেকে ভাসমান টার্মিনালে এলএনজি স্থানান্তর ব্যাহত হচ্ছে। এতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) থেকে পুনঃগ্যাসীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (আরএলএনজি) সরবরাহ কমে যাওয়ায় জাতীয় সঞ্চালন লাইনে দেশের মোট গ্যাস সরবরাহও কিছুটা কমেছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা)।

পেট্রোবাংলা জানায়, মহেশখালী এলাকায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে আমদানিকৃত এলএনজি কার্গো থেকে ভাসমান টার্মিনালে এলএনজি ট্রান্সফার প্রক্রিয়ায় সমস্যা দেখা দিয়েছে। এর ফলে আরএলএনজি সরবরাহ কমে গেছে। একই সঙ্গে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে মোট গ্যাস সরবরাহও স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় জাতীয় সঞ্চালন লাইনে এলএনজি সরবরাহ ছিল ৫৯ কোটি ঘনফুট। একই সময়ে দেশের অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে গ্যাস সরবরাহ হয়েছে ১৬১ কোটি ঘনফুট।

অভ্যন্তরীণ উৎসের গ্যাস ও এলএনজি মিলিয়ে ওই সময়ে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২২১ কোটি ঘনফুট।

পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরের আবহাওয়ার উন্নতি হলে এলএনজি স্থানান্তর প্রক্রিয়া স্বাভাবিক হয়ে আসবে। তখন আরএলএনজি সরবরাহও বাড়বে এবং দ্রুততম সময়ে জাতীয় গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছে সংস্থাটি।

সাময়িক এই পরিস্থিতির জন্য গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে পেট্রোবাংলা।

পেট্রোবাংলার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি সেপ্টেম্বর মাসের জন্য মোট ৯টি এলএনজি কার্গো কেনা হয়েছে। এসব কার্গোর মাধ্যমে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০০ কোটি ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ করা হচ্ছিল।

তবে মহেশখালী এলাকায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে কার্গো থেকে ভাসমান টার্মিনালে এলএনজি স্থানান্তর ব্যাহত হওয়ায় বর্তমানে সরবরাহ স্বাভাবিক মাত্রার তুলনায় কমে গেছে।