...|...|...

খেলা

প্রতিপক্ষের মাঠে ৯ গোল, চ্যাম্পিয়ন্স লিগে অনন্য রেকর্ড

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ৫ নভেম্বর ২০২৬, দুপুর ১২:১১
Shares
প্রতিপক্ষের মাঠে ৯ গোল, চ্যাম্পিয়ন্স লিগে অনন্য রেকর্ড

ছবি: সংগৃহীত

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড গড়েছে ইতালিয়ান ক্লাব কোমো। প্রতিযোগিতাটির ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে প্রতিপক্ষের মাঠে এক ম্যাচে ৯ গোল করার কীর্তি গড়েছে সেস ফাব্রেগাসের দল। ফরাসি ক্লাব লঁসের মাঠে স্বাগতিকদের ৯-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ইউরোপীয় ফুটবলে নিজেদের শক্তির জানান দিয়েছে তারা।

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের লিগ পর্বে লঁসের মাঠে এই কীর্তি গড়ে কোমো। প্রতিযোগিতায় নিজেদের অভিষেক মৌসুমেই দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে ইতালিয়ান ক্লাবটি। চার ম্যাচের মধ্যে এটি তাদের তৃতীয় জয়। এই জয়ে পয়েন্ট তালিকার চতুর্থ স্থানেও উঠে এসেছে দলটি।

এর আগে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রতিপক্ষের মাঠে কোনো দলের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ছিল আটটি। ২০২০ সালে পর্তুগালের লিসবনে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে বার্সেলোনাকে ৮-২ গোলে হারিয়েছিল বায়ার্ন মিউনিখ। এবার সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে গেল কোমো।

শুধু গোলের সংখ্যায় নয়, জয়ের ব্যবধানেও নতুন ইতিহাসের অংশ হয়েছে কোমো। ৮ গোলের ব্যবধানে জয়টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয়ের রেকর্ডে যৌথভাবে জায়গা করে নিয়েছে। এর আগে লিভারপুল ও রিয়াল মাদ্রিদ যথাক্রমে বেসিকতাস ও মালমোকে ৮-০ গোলে হারিয়েছিল।

লঁসের বিপক্ষে কোমোর বড় জয়ে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন তাসোস দুভিকাস। দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক করেছেন এই ফরোয়ার্ড। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দলের চারটি ম্যাচেই গোলের দেখা পেয়েছেন তিনি। সব মিলিয়ে ছয় গোল নিয়ে এবারের আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন দুভিকাস।

ম্যাচে গোল করেছেন আর্জেন্টিনার তরুণ ফুটবলার নিকো পাজও। তবে গোলের পর তার উদ্‌যাপনের ধরন ছিল ব্যতিক্রমী। সতীর্থদের সাথে আনন্দে না মেতে তিনি তুলে ধরেন তেনেরিফের ফরোয়ার্ড হেসুস দে মিগেলের ছবি সংবলিত একটি টি-শার্ট। প্রতিপক্ষের গোলরক্ষকের সাথে মাঠে সংঘর্ষের পর মারা গিয়েছিলেন দে মিগেল। ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তেনেরিফের যুব দলে খেলেছিলেন পাজ। সেই স্মৃতির প্রতি সম্মান জানাতেই তার এই উদ্যোগ।

কোমোর হয়ে বাকি গোলগুলোর মধ্যে একটি করে করেছেন লুকাস দা কুনহা, মার্ক-অলিভার কেম্পফ, মাত্তিয়া লিবেরালি, মার্তিনা বাতুরিনা ও মাত্তেও পাপাচ্চিওলি।

এই ম্যাচে বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছেন ১৮ বছর বয়সী পাপাচ্চিওলি। দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে গোল করেন কোমোর যুব দলের এই ফুটবলার। এখনো ইতালির শীর্ষ ফুটবল লিগ সিরি আ-তে খেলার অভিজ্ঞতা হয়নি তার। অথচ চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মতো বড় মঞ্চে গোল করে নিজের প্রতিভার জানান দিয়েছেন এই তরুণ।