...|...|...

সারাদেশ

প্রকাশ্যে সেই মিন্নির কারাজীবনের অজানা গল্প

টাইমস টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬, বিকেল ৩:১৭ | আপডেট: ২৪ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৮:৫৪
Shares
প্রকাশ্যে সেই মিন্নির কারাজীবনের অজানা গল্প

ছবি : সংগৃহীত

বরগুনার বহুল আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার সাত বছর পূর্ণ হলো আজ (২৬ জুন)। ২০১৯ সালের এদিনে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির উপস্থিতিতেই প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয় রিফাতকে। 

আলোচিত ওই মামলায় পরবর্তীতে স্ত্রী মিন্নিসহ কয়েকজনকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। বর্তমানে তিনি বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের কনডেম সেলে রয়েছেন।

কারা সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দি হিসেবে মিন্নি অধিকাংশ সময় নিরিবিলি থাকেন। নিয়মিত নামাজ ও ধর্মীয় অনুশীলনের মধ্য দিয়েই তার দিন কাটে। কারাগারের অন্য বন্দি বা কারারক্ষীদের সঙ্গে খুব একটা কথা বলেন না। কেবল বাবা-মা বা স্বজনরা সাক্ষাৎ করতে এলে তাদের সঙ্গে কিছু সময় কথা বলেন। 

কারা কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, কারাগারে তার আচরণ স্বাভাবিক এবং এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ ওঠেনি।

মিন্নিকে প্রথমে কাশিমপুর কারাগারে রাখা হলেও পরে মামলার কার্যক্রম পরিচালনা এবং স্বজনদের সাক্ষাতের সুবিধার কথা বিবেচনা করে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।

আদালতের নথি অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজসংলগ্ন এলাকায় রিফাত শরীফের ওপর ধারাল অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় একদল যুবক। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।

হত্যাকাণ্ডের পরদিন রিফাতের বাবা আব্দুল হালিম দুলাল শরীফ বরগুনা সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। এতে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। 

তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশের দাবি ছিল, হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনায় রিফাতের স্ত্রী মিন্নির সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। এরপর ঘটনার প্রায় ২০ দিন পর তাকে গ্রেফতার করা হয়।

তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১ অক্টোবর পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। এতে মোট ২৪ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর প্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের মামলায় আদালত মিন্নিসহ ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন এবং চারজনকে খালাস দেন। একই বছরের ২৭ অক্টোবর শিশু আদালত অপ্রাপ্তবয়স্ক কয়েকজন আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন।