নাটোরের বড়াইগ্রামের বনপাড়া এলাকায় যাত্রীবাহী বাসের সাথে বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১৪ জনের মধ্যে ৯ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। বাকিদের পরিচয় শনাক্তে চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহতরা হলেন- রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার আনোয়ার হক (৩০), পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার শিশু আহুদিয়া (৮), শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার সামাদ (৭০), জুয়েল (৪০) ও জহুর উদ্দিন, শামলাল মোল্লা (৪৫), কাশেম (৩৫), জাহান উদ্দিন মোল্লা। এ ছাড়া, দুর্ঘটনা কবলিত বাসের ড্রাইভার মো. সোহেল রানা। তিনি রাজশাহীর গোদাগাড়ী এলাকার বাসিন্দা।
এর আগে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে নাটোর-পাবনা মহাসড়কের বনপাড়া পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নাটোর জেলা প্রশাসক সুমনী আক্তার দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, পটুয়াখালীর কুয়াকাটা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী আরপি পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সাথে কুড়িগ্রাম থেকে পাবনাগামী বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ৯ জন নিহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়।
বাস থাকা যাত্রী আব্দুস সালাম জানান, বাসটি কুয়াকাটা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ যাচ্ছিল। বাসে অতিরিক্ত যাত্রী ছিল। তার অভিযোগ, বাসটি অতিরিক্ত গতিতে চলছিল এবং চালক মাঝেমধ্যে জোরে ব্রেক করছিলেন।
বনপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক শামীম হোসেন জানান, বরগুনা থেকে ছেড়ে আসা চাঁপাই নবাবগঞ্জগামী আরপি পরিবহনের বাসের সাথে বিপরীতমুখী বালুবোঝাই একটি ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। এ সময় ঘটনাস্থলেই ৯ জনের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে আহতদের উদ্ধার করে বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়।


