...|...|...

স্বাস্থ্য

জয়েন্টে ব্যথা মানেই কি আর্থ্রাইটিস?

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৯:০৪
Shares
জয়েন্টে ব্যথা মানেই কি আর্থ্রাইটিস?

ছবি: সংগৃহীত

আঘাত, পেশি ও টেন্ডনের সমস্যা থেকে শুরু করে স্নায়ুর চাপ, গাউট ও সংক্রমণ বিভিন্ন কারণে হতে পারে জয়েন্টের ব্যথা। সঠিক কারণ শনাক্তে প্রয়োজন উপসর্গ পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসকের পরামর্শ।

সকালে ঘুম থেকে উঠে আঙুলের গিঁট শক্ত হয়ে থাকা, সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামার সময় হাঁটুতে ব্যথা কিংবা দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার পর কাঁধ বা কোমরে অস্বস্তি এমন অভিজ্ঞতা অনেকেরই রয়েছে। বয়স বাড়ার সঙ্গে এসব সমস্যা দেখা দিলে অনেকে ধরে নেন, এটি বাত বা আর্থ্রাইটিসের লক্ষণ। কেউ কেউ আবার ইউরিক অ্যাসিড বেড়েছে ভেবে নিজে থেকেই ওষুধ খেতে শুরু করেন।

কিন্তু জয়েন্টে ব্যথা হলেই কি আর্থ্রাইটিস হয়েছে? চিকিৎসাবিজ্ঞানের তথ্য বলছে, সব ক্ষেত্রে তা নয়। জয়েন্টের রোগ ছাড়াও পেশি, টেন্ডন, লিগামেন্ট কিংবা স্নায়ুর সমস্যায় জয়েন্টের আশপাশে ব্যথা হতে পারে। আঘাত, অতিরিক্ত পরিশ্রম, গাউট, কিছু সংক্রমণ এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার রোগও এর কারণ হতে পারে।

তাই ব্যথাকে অবহেলা করা যেমন ঠিক নয়, তেমনি শুধু ব্যথার ভিত্তিতে আর্থ্রাইটিস ধরে নেওয়াও সঠিক নয়।

জয়েন্ট ও পেশিসংক্রান্ত রোগের ব্যাপকতা বোঝাতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) পরিসংখ্যান গুরুত্বপূর্ণ। সংস্থাটির হিসাবে, ২০১৯ সালে বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৭১ কোটি মানুষ বিভিন্ন ধরনের মাসকিউলোস্কেলেটাল বা পেশি-হাড়-জয়েন্টের সমস্যায় ভুগছিলেন। এই শ্রেণিতে কোমর ও ঘাড়ের ব্যথা, অস্টিওআর্থ্রাইটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, হাড় ভাঙা ও অন্যান্য সমস্যাও অন্তর্ভুক্ত।

একই বছরের হিসাবে, বিশ্বে প্রায় ৫২ কোটি ৮০ লাখ মানুষ অস্টিওআর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত ছিলেন। ১৯৯০ সালের তুলনায় এ সংখ্যা বেড়েছিল ১১৩ শতাংশ। আক্রান্তদের প্রায় ৭৩ শতাংশের বয়স ছিল ৫৫ বছরের বেশি এবং ৬০ শতাংশ ছিলেন নারী। হাঁটুর অস্টিওআর্থ্রাইটিস সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে, প্রায় ৩৬ কোটি ৫০ লাখ মানুষ হাঁটুর অস্টিওআর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত ছিলেন।

অন্যদিকে, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ২০১৯ সালে বিশ্বজুড়ে আনুমানিক ১ কোটি ৮০ লাখ ছিল। এসব পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যায়, জয়েন্টের রোগ জনস্বাস্থ্যের একটি বড় সমস্যা। তবে পেশি-হাড়ের সব সমস্যা আর্থ্রাইটিস নয়। সূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা Musculoskeletal health ও Osteoarthritis।

আর্থ্রাইটিস আসলে কী?
আর্থ্রাইটিস কোনো একটি নির্দিষ্ট রোগের নাম নয়। এটি জয়েন্টে প্রদাহ বা জয়েন্টের বিভিন্ন রোগকে বোঝাতে ব্যবহৃত একটি সাধারণ শব্দ। এর ধরন অনুযায়ী উপসর্গ, রোগের অগ্রগতি এবং চিকিৎসা আলাদা হতে পারে।

অস্টিওআর্থ্রাইটিসে জয়েন্টের তরুণাস্থি ও অন্যান্য টিস্যুতে পরিবর্তন ঘটে। এতে ব্যথা, শক্তভাব এবং জয়েন্ট নড়াচড়ায় অসুবিধা হতে পারে। হাঁটু, নিতম্ব, হাত ও মেরুদণ্ডের জয়েন্ট বেশি আক্রান্ত হয়। বয়স বাড়লে ঝুঁকি বাড়লেও অস্টিওআর্থ্রাইটিস কেবল বয়স্কদের রোগ নয়। অতীতে জয়েন্টে আঘাত, অতিরিক্ত ওজন ও জয়েন্টের ওপর বারবার চাপ পড়াও ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের ক্ষেত্রে চিত্রটি ভিন্ন। এটি একটি অটোইমিউন রোগ, যেখানে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুল করে নিজের জয়েন্টের আবরণে আক্রমণ করে। এতে জয়েন্টে ব্যথা, ফোলা ও শক্তভাব দেখা দেয়। হাত ও পায়ের ছোট জয়েন্ট প্রায়ই আক্রান্ত হয় এবং শরীরের দুই পাশের একই ধরনের জয়েন্টে উপসর্গ দেখা দিতে পারে। চিকিৎসা দেরি হলে জয়েন্টের স্থায়ী ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

এ ছাড়া গাউট বা গেঁটে বাতের কারণে জয়েন্টে হঠাৎ তীব্র ব্যথা ও ফোলা হতে পারে। এতে ইউরিক অ্যাসিডের স্ফটিক জয়েন্টে জমা হয়। তবে রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেশি থাকলেই যে কারও গাউট হয়েছে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।

আর কী কী কারণে জয়েন্টে ব্যথা হয়?
আঘাত ও অতিরিক্ত ব্যবহার: খেলাধুলা, ভারী জিনিস তোলা, অতিরিক্ত ব্যায়াম কিংবা একই ধরনের কাজ বারবার করার ফলে পেশি, লিগামেন্ট ও টেন্ডনে টান বা আঘাত লাগতে পারে। এ ধরনের ব্যথাকে অনেকে ভুল করে বাত বলে মনে করেন।

টেন্ডিনাইটিস ও বার্সাইটিস: টেন্ডন হলো পেশি ও হাড়ের সংযোগকারী টিস্যু। এতে প্রদাহ বা অতিরিক্ত চাপের কারণে ব্যথা হতে পারে। অন্যদিকে, জয়েন্টের আশপাশের তরলপূর্ণ ছোট থলি বা বারসায় প্রদাহ হলে বার্সাইটিস হয়। কাঁধ, কনুই, নিতম্ব ও হাঁটুর আশপাশে এ ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

স্নায়ুর ওপর চাপ: ঘাড় বা কোমরের মেরুদণ্ড থেকে বের হওয়া কোনো স্নায়ুতে চাপ পড়লে ব্যথা হাত বা পা পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে পারে। যেমন, কোমরের ডিস্কের সমস্যা বা সায়াটিকার কারণে নিতম্ব থেকে পায়ের দিকে ব্যথা ছড়াতে পারে। ঘাড়ের স্নায়ুতে চাপ পড়লে কাঁধ ও বাহুতেও ব্যথা অনুভূত হতে পারে। এ ক্ষেত্রে ব্যথার সাথে ঝিনঝিন, অসাড়তা বা দুর্বলতাও থাকতে পারে।

পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি: ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন কারণে হাত-পায়ের প্রান্তীয় স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হলে জ্বালাপোড়া, ঝিনঝিন, অসাড়তা বা ব্যথা দেখা দিতে পারে। রোগী কখনো এই ব্যথাকে জয়েন্টের সমস্যা বলে মনে করতে পারেন।

ফাইব্রোমায়ালজিয়া: এ দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার সমস্যায় শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যথা, ক্লান্তি ও ঘুমের সমস্যা হতে পারে। জয়েন্টের আশপাশে ব্যথা থাকলেও সব ক্ষেত্রে জয়েন্টে প্রদাহ বা ক্ষয় থাকে না।

সংক্রমণ: কিছু ভাইরাসের সংক্রমণে সাময়িকভাবে জয়েন্টে ব্যথা হতে পারে। আবার ব্যাকটেরিয়ার কারণে জয়েন্টের ভেতরে সংক্রমণ হলে তীব্র ব্যথা, ফোলা, গরম অনুভূতি ও জ্বর দেখা দিতে পারে। এ ধরনের সংক্রমণ জরুরি চিকিৎসার দাবি রাখে।

কোন লক্ষণ দেখে সতর্ক হবেন?
জয়েন্টে ব্যথার ধরন ও সাথে থাকা উপসর্গ থেকে সম্ভাব্য কারণ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। তবে শুধু লক্ষণ দেখে নিশ্চিত রোগ নির্ণয় সম্ভব নয়।

সকালে জয়েন্ট শক্ত থাকা: ঘুম থেকে ওঠার পর বা দীর্ঘক্ষণ বিশ্রামের পর জয়েন্টের শক্তভাব ৩০ মিনিটের বেশি থাকলে, বিশেষত একাধিক জয়েন্ট ফুলে গেলে, প্রদাহজনিত আর্থ্রাইটিসের সম্ভাবনা যাচাই করা প্রয়োজন।

নড়াচড়ায় ব্যথা বাড়া: হাঁটাচলা, সিঁড়ি ভাঙা বা জয়েন্ট ব্যবহার করার সময় ব্যথা বাড়লে অস্টিওআর্থ্রাইটিস বা অতিরিক্ত চাপজনিত সমস্যা থাকতে পারে।

হঠাৎ তীব্র ব্যথা: একটি জয়েন্ট হঠাৎ ফুলে যাওয়া, লাল হওয়া বা গরম অনুভূত হওয়ার কারণ গাউট কিংবা সংক্রমণও হতে পারে।

ঝিনঝিন বা অসাড়তা: ব্যথার সাথে হাত-পায়ে ঝিনঝিন, অসাড়তা বা পেশির দুর্বলতা থাকলে স্নায়ুর সমস্যা পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা ও ক্লান্তি: একাধিক স্থানে দীর্ঘদিন ব্যথা, ঘুমের সমস্যা ও অস্বাভাবিক ক্লান্তি থাকলে চিকিৎসকের মূল্যায়ন জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব আর্থ্রাইটিস অ্যান্ড মাসকিউলোস্কেলেটাল অ্যান্ড স্কিন ডিজিজেসের (NIAMS) তথ্য অনুযায়ী, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসে সকালে বা দীর্ঘক্ষণ বিশ্রামের পর জয়েন্টের শক্তভাব ৩০ মিনিটের বেশি স্থায়ী হতে পারে। তবে এ লক্ষণ থাকলেই রোগটি নিশ্চিত হয় না। সূত্র: NIAMS—Rheumatoid Arthritis।

কীভাবে রোগ নির্ণয় করা হয়?
জয়েন্টে ব্যথার কারণ নির্ণয়ে চিকিৎসক প্রথমে ব্যথার ইতিহাস জানতে চান। ব্যথা কখন শুরু হয়েছে, কত দিন ধরে রয়েছে, কোন জয়েন্ট আক্রান্ত, সকালে শক্তভাব থাকে কি না, আঘাত লেগেছিল কি না এবং ব্যথার সঙ্গে ফোলা বা অসাড়তা রয়েছে কি না এসব তথ্য গুরুত্বপূর্ণ।

এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী শারীরিক পরীক্ষা, রক্ত পরীক্ষা ও ইমেজিং করা হতে পারে। অস্টিওআর্থ্রাইটিসের ক্ষেত্রে এক্স-রে জয়েন্টের গঠনগত পরিবর্তন শনাক্ত করতে সাহায্য করে। রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের সন্দেহে রিউমাটয়েড ফ্যাক্টর (RF), অ্যান্টি-সিসিপি (anti-CCP), সি-রিঅ্যাকটিভ প্রোটিন (CRP) বা ইএসআর (ESR) পরীক্ষা করা হতে পারে। প্রয়োজন অনুযায়ী আল্ট্রাসনোগ্রাম বা এমআরআইও করা হয়।

গাউট বা জয়েন্টে সংক্রমণের সন্দেহ থাকলে কখনো জয়েন্টের তরল সংগ্রহ করে পরীক্ষা করতে হয়। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আর্থ্রাইটিস নির্ণয়ের জন্য সব ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট পরীক্ষা যথেষ্ট নয়। বিশেষ করে রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয় কঠিন হতে পারে। উপসর্গ, শারীরিক পরীক্ষা ও পরীক্ষার ফল মিলিয়েই চিকিৎসক সিদ্ধান্ত নেন। সূত্র: NIAMS—Diagnosis and Treatment of Rheumatoid Arthritis।

চিকিৎসা নির্ভর করে ব্যথার কারণের ওপর
জয়েন্টে ব্যথা হলেই ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া কিংবা ইউরিক অ্যাসিড কমানোর ওষুধ শুরু করা সঠিক পদক্ষেপ নয়। চিকিৎসা নির্ভর করে সমস্যার প্রকৃত কারণের ওপর।

আঘাত বা অতিরিক্ত চাপের কারণে ব্যথা হলে সাময়িকভাবে চাপ কমানো, উপযুক্ত বিশ্রাম এবং কাপড়ে মোড়ানো বরফ ব্যবহার করে আরাম পাওয়া যেতে পারে। দীর্ঘস্থায়ী জয়েন্টের সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যায়াম, ফিজিওথেরাপি ও ওজন নিয়ন্ত্রণ উপকারী হতে পারে।

অস্টিওআর্থ্রাইটিসের চিকিৎসায় ব্যথা নিয়ন্ত্রণ, জয়েন্টের কার্যক্ষমতা বজায় রাখা এবং চলাফেরা সহজ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসে প্রদাহ কমানোর পাশাপাশি রোগের অগ্রগতি ধীর করতে বিশেষ ওষুধ প্রয়োজন হতে পারে। গাউটের ক্ষেত্রে ব্যথা ও প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী দীর্ঘমেয়াদে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ব্যথানাশক ওষুধ দীর্ঘদিন নিজে থেকে ব্যবহার করা উচিত নয়। কিছু ওষুধ কিডনি, পাকস্থলী, রক্তচাপ ও হৃদ্‌যন্ত্রের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ ব্যবহার করাই নিরাপদ।

কখন দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে?
একটি জয়েন্টে হঠাৎ তীব্র ব্যথা, ফোলা, লালচে ভাব বা গরম অনুভূতির সঙ্গে জ্বর কিংবা কাঁপুনি থাকলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি। জয়েন্টে সংক্রমণ হলে দেরিতে চিকিৎসা স্থায়ী ক্ষতির কারণ হতে পারে।

আঘাতের পর জয়েন্টে প্রচণ্ড ব্যথা, অঙ্গের ওপর ভর দিতে না পারা, নড়াচড়া করতে না পারা কিংবা ব্যথার সঙ্গে নতুন করে অসাড়তা বা দুর্বলতা দেখা দিলেও দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন। দীর্ঘদিন ব্যথা থাকা, বারবার ব্যথা ফিরে আসা বা দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সচেতনতাই জটিলতা কমানোর প্রথম ধাপ
জয়েন্ট সুস্থ রাখতে নিয়মিত শারীরিক সক্রিয়তা, স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা এবং কাজের সময় সঠিক ভঙ্গি অনুসরণ করা গুরুত্বপূর্ণ। ব্যায়ামের মাত্রা ধীরে বাড়ানো এবং আঘাত এড়াতে প্রয়োজনীয় সতর্কতা নেওয়া উচিত। দীর্ঘক্ষণ একই ভঙ্গিতে বসে না থেকে বিরতি নেওয়াও উপকারী।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, অস্টিওআর্থ্রাইটিসের উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে ব্যায়াম, স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা এবং পেশি শক্তিশালী করা গুরুত্বপূর্ণ। তবে তীব্র ব্যথা বা প্রদাহ থাকলে কোন ধরনের ব্যায়াম নিরাপদ, তা চিকিৎসক বা ফিজিওথেরাপিস্টের কাছ থেকে জেনে নেওয়া ভালো।