...|...|...

ধর্ম

জুমার দিন নামাজের আগে যে আমলগুলো করবেন

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ৯ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৯:২১
Shares
জুমার দিন নামাজের আগে যে আমলগুলো করবেন

ছবি: সংগৃহীত

জুমার দিন মুসলমানদের জন্য বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ। এ দিনের কিছু আমল ও সুন্নতের কথা হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, যেগুলো পালনের মাধ্যমে সওয়াব অর্জন করা যায়। জুমার নামাজের আগে গোসল করা, পরিষ্কার ও উত্তম পোশাক পরা, সুগন্ধি ব্যবহার করা এবং মসজিদে গিয়ে মনোযোগের সাথে খুতবা শোনা-সব আমল বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। রাসুলুল্লাহ (সা.) জুমার দিনের এসব আমল পালনের পাশাপাশি নামাজের সময় অন্য মুসল্লিদের বিরক্ত না করা এবং খুতবা চলাকালে নীরব থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন।

আগেভাগে জুমায় যাওয়ার ফজিলত

জুমার দিন আগেভাগে মসজিদে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ আমল। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বলেন, ‘হে মুমিনগণ! জুমার দিনে যখন নামাজের আজান দেওয়া হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে দ্রুত ছুটে যাও এবং বেচাকেনা বন্ধ করো। এটা তোমাদের জন্য  উত্তম যদি তোমরা বোঝো। ’ (সুরা জুমা, আয়াত : ০৯)
এক হাদিসে আল্লাহর রাসুল সা. বলেন, ‘জুমার দিন মসজিদের দরজায় ফেরেশতারা অবস্থান করেন। এবং ক্রমানুসারে আগে আগমনকারীদের নাম লিখতে থাকেন। যে সবার আগে আসে সে ওই ব্যক্তির মতো- যে একটি মোটাতাজা উট কোরবানি করে। এরপর যে আসে সে ওই ব্যক্তি- যে একটি গাভী কোরবানি করে। এরপর আগমনকারী ব্যক্তি মুরগি দানকারীর ন্যায়। তারপর ইমাম যখন বের হন, তখন ফেরেশতাগণ তাদের লেখা বন্ধ করে দেন এবং মনোযোগ সহকারে খুতবা শুনতে থাকেন। (বুখারি, হাদিস : ৯২৯)

১. ‘যে ব্যক্তি জুমা দিন গোসল করল, আগে আগে মসজিদে গেল, বাহনে না চড়ে পায়ে হেঁটে মসজিদে গেল, ইমামের কাছাকাছি বসল, মনোযোগ দিয়ে খুতবা শুনল, কোনো অনর্থক কথা বা কাজ করল না, আল্লাহ তাআলা তাকে প্রতি কদমে এক বছরের নফল রোজা ও নামাজের  সওয়াব দান করবেন।’ (আবু দাউদ, তিরমিজি)

২. জুমার দিন ফজরের ফরজ নামাজে সুরা সাজদা ও সুরা দাহর/ইনসান তেলাওয়াত করা।

৩. জুমার দিন ভালোভাবে গোসল করা।

৪. সবচেয়ে উত্তম পোশাক পরা।

৫. সুগন্ধি ব্যবহার করা (যদি থাকে)।

৬. জুমার নামাজের জন্য সবার আগে মসজিদে যাওয়ার চেষ্টা করা।

৭. সম্ভব হলে পায়ে হেঁটে মসজিদে যাওয়া।

৮. জুমার দিন সুরা কাহফ তেলাওয়াত করা। পুরো সুরা পড়তে না পারলেও প্রথম ও শেষ ১০ আয়াত তেলাওয়াত করা।

৯. মসজিদে গিয়ে দুখুলুল মসজিদ ২ রাকাআত নামাজ পড়ে বসা। অনেকে কমপক্ষে ৪ রাকাআত সুন্নাত পড়ার ওপর জোর দিয়েছেন।

১০. জুমার নামাজে ইমামের কাছাকাছি গিয়ে বসা।

১১. মনোযোগ সহকারে খুতবা শোনা এবং খুতবা চলাকালীন চুপ থাকা আবশ্যক। কেউ মসজিদে কথা বললে ‘চুপ করুন‘ এ কথাও না বলা।

১২. দুই খুতবার মাঝের সময়ে বেশি বেশি দোয়া করা এবং জুমার দিনের অন্য সময়ও দোয়া করা। কারণ এদিনে দোয়া কবুল হয়।

১৩. জুমার দিন ও জুমার রাতে বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা।